প্রশ্ন ডট কম
This book is composed of all questions at প্রশ্ন ডট কম, ordered by upvotes, sorted by categories, including their answers .

Questions without qualifying answers are not included herein.

The book was created programatically by প্রশ্ন ডট কম on May 18, 2021.
Table of Contents
ইন্টারনেট সংযোগ সাধারণত দুই প্রকার।আবার কারো মতে ইন্টারনেট সংযোগকে ছয় ভাগে ভাগ করা যেতে পারে।
-- name

ইন্টারনেট সংযোগ সাধারণত ২ প্রকার।

তবে আরও কয়েক প্রকার ইন্টারনেট সংযোগ হলোঃ

১. ডায়াল-আপ

২. DSL

৩. স্যাটেলাইট

৪.ক্যাবল

৫. ওয়্যারলেস

৬. সেলুলার

-- name
অনেক সময় আমাদের কাছে থাকা ছবি গুলো খুব বেশি জায়গা দখল করে থাকে বা ভারি হয়। ফলে অনেক ছবি কম্পিউটারে বা মোবাইলে রাখতে অনেক জায়গার প্রয়োজন পড়ে। আবার ছবি গুলোকে যদি সাইজে ছোট করা হয় তবে রেজুলেশন কমে যায় ফলে ছবি ফেটে যায়। কিন্তু এমন কোন পদ্ধতি আছে কি যাতে ছবির সাইজ ছোট করলেও এর রেজুলেশন কমবে না, ঠিক আগের মতোই থাকবে?

এধরনের সমস্যায় আমাদের প্রায়ই পড়তে হয়। তবে ছবির রেজুলেশন ঠিক রেখে সাইজ কমানোর জন্য বেশ কিছু সাইট আছে। আমি এখানে দুইটি সাইটের লিঙ্ক দিলাম, যেকোনটি ব্যবহার করতে পারবেন।

১. goole.link

২. tinyjpg.com

-- name

টুথপেষ্টের প্রধান উপাদান গুলো হলোঃ 

  • ২০% থেকে ৪২% পানি
  • পালিশ
  • ফ্লোরাইড
  •  ডিটারজেন্ট বা সাবান 
-- name

CNG -এর পূর্ণরূপ- Compressed natural gas (সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস)। এই গ্যাসকে চাপের মাধ্যমে তরলে পরিণত করে তা গ্যাস-ট্যাংকে জমা করা হয়।

CNG ব্যবহারের সুবিধা সমূহঃ 

  • সিসা ও বেনজিন মুক্ত
  • রক্ষনাবেক্ষন খরচ কম
  • গ্যাস সহজলভ্য ও সস্তা
-- name

১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ সোমবার রাত ৮টার দিকে দেশে ফোরজি সেবা প্রথমবারের মত বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চালু হয়।

  • মোবাইল অপারেটর কোম্পানি গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংক প্রথম পর্যায়ে বাংলাদেশে এই পরিসেবা প্রদান শুরু করে। 
  • 4G মূলত চতুর্থ প্রজন্মের ইন্টারনেট পরিসেবা এবং 3G এর উত্তসুরী।
-- name

G-mail চালু হয় ১লা এপ্রিল ২০০৪ সালে। 

  • এটি ছিল Gmail এর পরিক্ষামূলক সংস্করন। এরপর  ৭ই ফেব্রুয়ারি ২০০৭ সালে সর্বপ্রথম Gmail সর্বসাধারনের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। 
  • ৭ই জুলাই ২০০৯ তারিখে Gmail এর পূর্ণ সংস্করন প্রকাশিত হয়। 
-- name
১৯৯১ সালে ফিনল্যান্ডের রেডিওলিনজা নামক একটি জিএসএম অপারেটর সর্বপ্রথম ব্যাবসায়িকভাবে এবং জিএসএম স্টেন্ডার্ডে ২ জি তারবিহীন নেটওয়ার্ক চালু করেছিল।
-- name

Yahoo প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৪ সালের জানুয়ারি মাসে। 

 Yahoo! এর সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সানিভেল শহরে ।

 Yahoo! এর সেবা সমূহঃ 

  • ওয়েবসাইট
  • সার্চইঞ্জিন
  • ইয়াহু ডিকশেনারী
  • ইয়াহু! মেইল
  • ইয়াহু নিউজ
  • ইয়াহু গ্রুপ
  • ইয়াহু এন্সার
  • অ্যাডভার্টাইজমেন্ট
  • অনলাইন ম্যাপ
  • ইয়াহু ভিডিও
  • সোশ্যাল মিডিয়া সেবা
-- name

বিশ্বের প্রথম ল্যাপটপের নকশা তৈরী করেন 'বিল মোগরিজ'।

  • ১৯৭৯ সালে মগরিজ বিশ্বের প্রথম ল্যাপটপের নকশা করেন।
  • বিল মোগরিজ এই ল্যাপটপের নকশার  জন্য ‘২০১০ প্রিন্স ফিলিপ ডিজাইনার প্রাইজ’ নামে আজীবন সম্মাননা পুরস্কার লাভ করেন।
  • ১৯৫৯ সাল থেকে এডিনবরার শাষক কর্তৃক এ পুরস্কার দেওয়া হয়।  এটি ব্রিটেনের একটি স্থায়ী নকশাকার পুরস্কার।

তথ্য সূত্র ও  বিস্তারিত

-- name
একটি ল্যাপটপ বা একটি নোটবুক হল বহনযোগ্য ব্যক্তিগত কম্পিউটার যা দেখতে ঝিনুক আকৃতির এবং ভ্রমণ উপযোগী[১]। ল্যাপটপ এবং নোটবুক উভয়কে পূর্বে ভিন্ন ধরা হত কিন্তু বর্তমানে তা মানা হয় না[২]। ল্যাপটপ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হয় যেমন কর্মক্ষেত্রে, শিক্ষায় এবং ব্যক্তিগত বিনোদনের কাজে।

একটি ল্যাপটপ কম্পিউটারে ডেস্কটপ কম্পিউটারের সমস্ত উপাদান এবং সকল ইনপুটগুলোকে একত্রিত করা হয়। যেখানে শুধুমাত্র একটি যন্ত্রে প্রদর্শনী, স্পিকার, কিবোর্ড এবং টাচপ্যাড বা ট্র্যাকপ্যাড থাকে। বর্তমানের বেশিরভাগ ল্যাপটপের সঙ্গেই থাকে ওয়েবক্যাম এবং মাইক্রোফোন। একটি ল্যাপটপ চালানো যায় ব্যাটারি এবং এসি এডাপ্টারের মাধ্যমে বিদ্যুতের সরাসরি সংযোগে। ল্যাপটপের মডেল, প্রকারভেদ ও উৎপাদনের উপর হার্ডওয়্যারের ভিন্নতা লক্ষ্য করা যায়।

বহনযোগ্য কম্পিউটারগুলোকে পূর্বে ছোট একক বাজার হিসেবে গন্য করা হত এবং এগুলো বিশেষ ধরনের প্রায়োগিগ কাজে ব্যবহার করা হত যেমন সৈনিকদের কাজে, হিসাববিজ্ঞানেরর কাজে, বিক্রয় প্রতিনিধিদের প্রয়োজনে ইত্যাদি। এগুলো পরে আধুনিক ল্যাপটপে পরিণত হয়। এগুলো আকারে আরো ছোট, পাতলা, সস্তা, হালকা এবং উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন হতে থাকে ফলে বহুমুখী কাজে এদের ব্যবহার বৃদ্ধি পায়।

বিশ্বের প্রথম ল্যাপটপের নকশা করেন : বিল মোগরিজ।
-- name
বিশ্বের সর্বপ্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল কম্পিউটারের নাম হলো মার্ক-১ (Mark-1).
-- name

অ্যান্ড্রয়েড চালিত প্রথম বাণিজ্যিকভাবে তৈরি স্মার্টফোনটি ছিল HTC Dream ব্রান্ডের। 

  • HTC Dream  ২০০৮ সালের ২২ অক্টোবর প্রথম বাজারে আসে।
  • অ্যানড্রয়েড ইনকর্পোরেট এর কাছ থেকে ২০০৫ সালে অ্যানড্রয়েড কিনে নেয় গুগল ।
  • অ্যানড্রয়েড বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত স্মার্টফোন অপারেটিং সিস্টেম।
  • বর্তমানে প্রায় ৩৫ লাখের উপরে Android App রয়েছে গুগল প্লে স্টোরে।  
-- name
নেটওয়ার্ক শব্দের অর্থ জাল বা জালের মতো বিস্তার করা। একাধিক কম্পিউটারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করাকে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বলে। অনেক ধরনের কম্পিউটার নেটওয়ার্ক রয়েছে। সামগ্রিক ভাবে ১১ টাইপের কম্পিউটার নেটওয়ার্ক আমরা দেখতে পাই। নিচে সেগুলো সম্পর্কে বলা হলোঃ ১. ব্যক্তিগত এরিয়া নেটওয়ার্ক - Personal Area Network (PAN) ২. লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক - Local Area Network (LAN) ৩. ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক - Wireless Local Area Network (WLAN) ৪. ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্ক - Campus Area Network (CAN) ৫. মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক - Metropolitan Area Network (MAN) ৬. ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক - Wide Area Network (WAN) ৭. স্টোরেজ-এরিয়া নেটওয়ার্ক - Storage-Area Network (SAN) ৮. সিস্টেম-এরিয়া নেটওয়ার্ক - System-Area Network (also known as SAN) ৯. প্যাসিভ অপটিক্যাল লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক - Passive Optical Local Area Network (POLAN) ১০. এন্টারপ্রাইজ প্রাইভেট নেটওয়ার্ক - Enterprise Private Network (EPN) ১১. ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক - Virtual Private Network (VPN)
-- name
ইন্টারনেট একাউন্ট গ্রহণকারীদের নেটিজেন বলা হয়।

আন্তর্জাল বা ইন্টারনেট হল সারা পৃথিবী জুড়ে বিস্তৃত, পরস্পরের সাথে সংযুক্ত অনেকগুলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সমষ্টি যা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত এবং যেখানে আইপি বা ইন্টারনেট প্রটোকল নামের এক প্রামাণ্য ব্যবস্থার মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদান করা হয়। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে অনেকে ইন্টারনেট এবং ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবকে সমার্থক শব্দ হিসেবে গণ্য করলেও প্রকৃতপক্ষে শব্দদ্বয় ভিন্ন বিষয় নির্দেশ করে।

ইন্টারনেট অনেকরকমই হতে পারে, তবে প্রধানত ৬ ভাগে ভাগ করা যায়- 1. ডায়াল-আপ 2. DSL 3. স্যাটেলাইট 4. ক্যাবল 5. ওয়্যারলেস 6. সেলুলার।
-- name
বিশ্বের প্রথম কম্পিউটার নেটওয়ার্কটির নাম হলো আরপানেট।
-- name

বাংলাদেশে প্রথম অফ-লাইন ইন্টারনেট চালু হয় ১৯৯৫ সালে। 

  • 'অফলাইন ই-মেইল' সেবা প্রদানের মাধ্যমে প্রথম সীমিত আকারে অফলাইন ইন্টারনেটের চালু হয়।
-- name
বিশ্বের অন্যান্য উন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশের মত বাংলাদেশে ইন্টারনেট এবং তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বিষ্ময়করহারে বৃদ্ধি ঘটেছে। ইন্টারনেট ও তথ্য প্রযুক্তিতে জনগণের প্রবেশাধিকার এবং ব্যবহার বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছে যার ফলশ্রুতিতে অনেক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও ২০২০ সাল নাগাদ বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১০ কোটি (১০০ মিলিয়ন) বৃদ্ধি পেয়েছে।[১] বর্তমানে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি এবং মোট জনসংখ্যার ৬২% ইন্টারনেট ব্যবহারকারী। এপ্রিল ২০১৯ সালে বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বেড়েছে ৯৩.৭০২ মিলিয়ন। ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ সালে বাংলাদেশ ৪ জি নেটওয়ার্ক পরিষেবা প্রদান শুরু করে। [২]

২০২০ সালের মে পর্যন্ত ইন্টারনেট মূলত ২ টি সাবমেরিন কেবল সিমিউই-৪ এবং সিমিউই-৫ দ্বারা বাংলাদেশে সরবরাহ করা হয়। যার ব্যান্ডউইটথ সরবরাহ সক্ষমতা যথাক্রমে ৩০০ জিবিপিএস ও ১৮০০ জিবিপিএস।
-- name
দুই ব্যক্তিকে ইন্টারনেটের
আবিষ্কারক ধরা হয়, রবার্ট
ই. কান এবং ভিনটন জি
কার্ফ ।এই দুই জন ইন্টারনেটের জনক হিসাবে পরিচিত।
-- name

বাংলাদেশের প্রথম অনলাইন পত্রিকা bdnews24.com

-- name

একটি ইমেইল ঠিকানার দুইটি অংশ থাকে। যথাঃ 

১. প্রথম অংশঃ এটি হল ব্যবহারকারী নাম। একটি ই-মেইল ঠিকানার @ চিহ্নের আগের অংশ যেটি User Name বা ব্যবহারকারী নাম, এটি ব্যবহারকারী নিজের পছন্দ মত নির্বাচন করতে পারেন। 

২. দ্বিতীয় অংশঃ  এটি হল সংশ্লিষ্ট ব্যবহারকারীর প্রতিষ্ঠানের নাম। এই অংশটি হচ্ছে @ চিহ্নের পরের অংশ। 

যেমনঃ proshna.com@gmail.com একটি ই-মেইল ঠিকানা, এখানে proshna.com হচ্ছে User Name আর gmail.com হচ্ছে দ্বিতীয় অংশ। 

-- name

ইনস্টাগ্রাম প্রতিষ্ঠিত হয়- ৬ অক্টোবর ২০১০ সালে। 

  • এই দিন  ইনস্টাগ্রাম IOS অ্যাপটি অ্যাপ স্টোরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছিল। 
  • ইনস্টাগ্রাম প্রতিষ্ঠা করেন-  কেভিন সাইস্ট্রম, মাইক ক্রিঞ্জার। 
  • এটি বর্তমানে সারা বিশ্বে ৩৩ ভাষায় ব্যবহার করা হয়। 
  • আলেক্সা র‍্যাঙ্কিং  এ ইন্সটাগ্রাম বিশ্বের ২৬তম বৃহত ওয়েবসাইট। (জানুয়ারী ২০২০ পর্যন্ত)
  • অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
-- name

মোবাইল ফোনে GSM প্রযুক্তি চালু হয়  ১৯৯১ সালে। 

  • GSM=Global System for Mobile Communications
  • GSM মূলত এক ধরনের ডিজিটাল তারবিহীন মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থা।
-- name

সর্বপ্রথম “রোবট” শব্দটি ব্যবহৃত ১৯২০ সালে।

  • সর্বপ্রথম চেক স্লাভিয়ান নাট্যকার Kernel Capek 'রোবট' শব্দটি ব্যবহার করেন।
  • রোবট শব্দের উৎপত্তি হয়েছে চেক শব্দ ‘রোবোটা’ থেকে। রোবোটা অর্থ - মানুষের দাস কিংবা একটানা অবিশ্রান্ত পরিশ্রম করতে পারে এমন যন্ত্র।

-- name
কম্পিউটারের মেমোরি বা স্মৃতিভান্ডারের ধারণ ক্ষমতা প্রকাশের একক বাইট।

বাইট হল তথ্য পরিমাপের একটি একক। প্রতিটি বাইনারি অঙ্ককে বিট বলা হয় এবং ৮টি বিটকে এক বাইট বলা হয়।

আট বিট = ১ বাইট,

১০২৪ বাইট= ১ কিলোবাইট,

১০২৪ কিলোবাইট= ১ মেগাবাইট,

১০২৪ মেগাবাইট= ১ গিগাবাইট,

১০২৪ গিগাবাইট=১ টেরাবাইট।

বাইট শব্দটির প্রচলন সর্বপ্রথম করেন ডঃ ওয়ার্নার বুখোল্ড, ১৯৫৬ সালের জুলাই মাসে। তিনি তখন আইবিএম ৭০৩০ কম্পিউটারের নকশা প্রণয়নের সাথে জড়িত ছিলেন
-- name
WWW এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
WWW এর জনক টিম বারনার লি কে বলা হয়।এটির ফুল মিনিং হল World Wide Web।টিম বার্নার্স-লি বা স্যার টিমোথি জন "টিম" জন বার্নার্স-লি(ইংরেজি:Tim Berners-Lee) (জন্ম জুন ৮,১৯৫৫), এবং TimBL নামেও যিনি পরিচিত, যিনি পেশায় একজন ব্রিটিশ পদার্থবিদ, কম্পিউটার বিজ্ঞানী, MIT অধ্যাপক, এবং (ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব) ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক এবং ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব কনসোর্টিয়ামের পরিচালক। তিনি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা।
-- name
প্রারম্ভিক গবেষণা এবং উন্নয়ন:

১৯৬১ – First packet-switching papers

১৯৬৬ – Merit Network founded

১৯৬৬ – ARPANET planning starts

১৯৬৯ – ARPANET carries its first packets

১৯৭০ – Mark I network at NPL (UK)

১৯৭০ – Network Information Center (NIC)

১৯৭১ – Merit Network's packet-switched network operational

১৯৭১ – Tymnet packet-switched network

১৯৭২ – Internet Assigned Numbers Authority (IANA) established

১৯৭৩ – CYCLADES network demonstrated

১৯৭৪ – Telenet packet-switched network

১৯৭৬ – X.25 protocol approved

১৯৭৮ – Minitel introduced

১৯৭৯ – Internet Activities Board (IAB)

১৯৮০ – USENET news using UUCP

১৯৮০ – Ethernet standard introduced

সর্বপ্রথম সফলভাবে ইন্টারনেট ব্যাবহার করে বার্তা

প্রেরণ করা হয় ১৯৬৯ সালে। এটিই ইন্টারনেটের

জন্মসাল হিসেবে স্বীকৃত।

কিন্তু ব্যাপকভাবে পরিচিতি লাভ করে

১৯৯৪ সালে।
-- name
কোন প্রকার এ্যাপ বা সফটওয়্যার ইন্সটল করা ছাড়াই কি করে মোবাইল থেকে ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করা যায়?
দুই ভাবে অনলাইন থেকে ভিডিও ডাউনলোড করা যায়।

১. এ্যাপ বা সফটওয়ার এর মাধ্যমে। যেমনঃ vidmet

২. কোন রকম এ্যাপ ইন্সটল ছাড়াই। আজ আলোচনা করবো এই পদ্ধতি নিয়ে। এজন্য আপনাকে বেশ কিছু সাইটের লিস্ট দিবো, এসব সাইটের সাহায্যে আপনি ইউটিউব সহ আরও অনেক সাইট থেকে ভিডিও এবং অডিও ডাউনলোড করতে পারবেন।

ক) সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হচ্ছে সর্ট কোড ব্যবহার করা। অর্থাৎ আপনি যে ভিডওটি ডাউনলোড করতে চার তার লিঙ্কে কিছু অক্ষর জুড়ে দিলেই ডাউনলোড হবে ভিডিও। এজন্য আপনার ইউটিউব ভিডও লিঙ্কে www. বা m. এর পরে ppp লিখে দিন। আর কিছুই করতে হবে না। বিস্তারিত এখানে দেখুন...

খ) savefrom.net: এই সাইট থেকেও ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করা যায়। আপনি যে ভিডিওটি ডাউনলোড করতে চান তার লিঙ্ক কপি করে সাইটের ডাউনলোড বক্সে পেস্ট করলেই ডাউনলোড লিঙ্ক পেয়ে যাবেন।

গ) omgdownloader.com: এটি দিয়ে ইউটিউব ফেসবুক সহ অন্তত ২৮ টি সাইট থেকে ডাউনলোড করা যায়। এটির সবচেয়ে বড় সুবিধা হল এখানে ভিডিও ডাউনলোডের পাশাপাশি একই ফাইল অডিও হিসাবেও ডাউনলোড করা যায়। এবং দুর্দান্ত ডাউনলোড স্পিড

ঘ) y2mate.com: এটিও উপরের সব সাইটের মতো ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোডের একটি সাইট। তবে এটির খারাপ দিক হলো এটি বিরক্তিকর বিজ্ঞাপনে ভরা।
-- name
ফ্রিতে কি করে জিমেইলে  ইমেইল খোলা যায়, মোবাইল ফোন দিয়ে?

মুলত ডেক্সটপ, ল্যাপটপ বা মোবাইল ফোন যেটাই আপনি ব্যবহার করেন না কেন সকল ক্ষেত্রেই ইমেইল এ্যাকাউন্ট খোলার পদ্ধতি বা ধাপ সমুহ মোটামুটি একই। কোন ক্ষেত্রেই বড় ধরনের কোন তফাৎ নেই। তারপরও আপনি হাতে কলমে যদি দেখতে চান "কি করে মোবাইল দিয়ে একটি মেইল খোলা যায়" তবে এই ভিডিওটি দেখতে পারেন।

-- name
মোবাইল দিয়ে ইমেইল পাঠানোর পদ্ধতি জানতে চাই
প্রথমে আপনার যদি কোন এ্যাকাউন্ট খোলা না থাকে তাহলে আপনাকে একটি ইমেল এ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। আপনি গুগলে সকল পরিসেবা জিমেইল ড্রাইভ ম্যাপ সহ সব কিছুর জন্য একটি জিমেইল এ্যাকাউন্ট লাগে।আর যদি আপনার এ্যাকাউন থাকে তাহলে আপনি জিমেইলে সব কিছু পাঠাতে পারবেন এর জন্য আপনাকে ১মে জিমেইল এ্যাপটি ডুকে কম্পোজ এ ক্লিক করলেই আপনার জন্য একটি নতুন পেজ আসবে এখানেTO BCC ACC  লেখা অছে।আপনি যাকে মেইল পাঠাতে চান TO তার ইমেল ঠিকানা দিবেন। SUBJECT এ আপনি কি উদ্দেশ্যে প্রাপকে ইমেলটি পাঠাচ্ছেন সেটি লিখে দিবেন!
তারপর যে বক্স টা থাকবে থাতে বিস্তারিত লিখুন।। কোন ফাইল পাঠাতে চাইলে নিছে কিছু আইকন আছে সব গুলো দেখে নিবেন। তাহলে আপনিও স্মাটফোনে ইমেল পাঠাতে পারবেন
-- name
মোবাইল স্লো হয়ে গেলে অনেক সময় রিস্টোর ফ্যাক্টরি সেটিং এর প্রয়োজন পড়ে। সে ক্ষেত্রে ফোনের ছবি, গান, ভিডিও অন্যত্র সরিয়ে রাখলেও ফোনে থাকা এ্যাপ, ফোন নাম্বার বা এসএমএস গুলো ব্যাকআপ করা যায় না। এই সমস্যা সমাধানের উপায় কি?

আমার কাছে যেটি সবচেয়ে ভাল মনে হয়েছে তা হল Super Backup & Restore. এটির সুবিধা হলো- apps, contact number, sms ব্যাকআপ রাখা যায়, এবং পরবর্তিতে ব্যাকআপ ফাইল থেকে apps, contact, sms রিস্টোর করা যায় খুবই সহজে।

-- name

Android মোবাইলে যে কোন ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন করার জন্য প্লে স্টোরে বেশ কিছু ভালো Apps পাওয়া যায়। তবে আমার কাছে সেরা মনে হয়েছে Remove.Bg নামের এই app টি। Play Store থেকে ইন্সটল করে দেখতে পারেন। আর আপনার কাছে যদি  এর থেকে ভাল কোন app থাকে তবে অবশ্যই জানাবেন। 

-- name
মোবাইল দিয়ে ছবি এডিট করার জন্য অনেক সুন্দর সুন্দর এ্যাপস পাবেন প্লে স্টোরে। আমি এখানে কয়েকটির নাম দিলামঃ

১. PicsArt

২. Image Editor

৩. LightRoom
-- name
এমন একটি ইউনিট কনভারটার দরকার যার মাধ্যমে সকল ধরনের ইউনিট যেমনঃ দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, তাপমাত্রা ইত্যাদি একটি মাত্র এ্যাপ দিয়েই কনভার্ট করা যায়।

সকল ইউনিট একটি মাত্র এ্যাপ দিয়ে কনভার্ট করার জন্য একটি অনলাইন অ্যাপ আছে, এটা দেখতে পারেন UNIT CONVERTER

-- name

পিডিএফ ডাউনলোড করার জন্য বর্তমানে অনলাইনে প্রচুর ওয়েবসাইট আছে। কিন্তু এদের অনেক গুলোই বিরক্তিকর বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে যার ফলে অনেক ক্ষেত্রে বইটি ডাউনলোড করা সম্ভব হয় না। এখানে আমি কিছু সাইটের নাম দিলাম যেখান থেকে কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়াই বই ডাউনলোড করতে পারবেন। 

-- Anonymous
দেশে এবং বিদেশে বাংলা ভাষায় প্রকাশিত সকল পত্রিকার অনলাইন ভার্সন ও ই-পেপার ভার্সন পড়া যাবে এমন একটি এ্যাপ দরকার

সংবাদ পড়ার জন্য প্লে-স্টোরে প্রচুর সুন্দর সুন্দর apps রয়েছে। প্লে-স্টোরে বাংলায় "সংবাদপত্র" লিখে সার্চ করলে অনেক গুলো Apps পাবেন। তবে যদি বলেন আমার কাছে সবচেয়ে সেরা মনে হয়েছে কোনটি তবে এটি দেখতে পারেন

-- name
বাংলায় শিশু
সাংবাদিকতার
ওয়েবসাইটটি হলো হ্যালো।
-- name
বাংলাদেশে কমিউনিটি রেডিও চালু আছে ১৭টি।আর বাংলাদেশে এফ. এম রেডিও চালু আছে ২০টি।
-- name
দেশের দ্বিতীয় বৃহৎ
মুঠোফোন অপারেটর
হিসেবে রবি-এয়ারটেল
একসঙ্গে যাত্রা শুরু করেছে ১৬ই নভেম্বর ২০১৬ সাল থেকে।
-- name

ক্যাসেটের ফিতার শব্দ সংরক্ষিত থাকে চৌম্বক ক্ষেত্র হিসাবে। 

  • ১৯৩০ সালের দিকে জার্মানিতে প্রথম শব্দ সংরক্ষনের এই বিশেষ পদ্ধতি আবিষ্কৃত হয়। 
-- name
সমুদ্রের গভীরতা মাপার
যন্ত্রের নাম হলো
"ফ্যাদোমিটার"।
-- name
দুধের ঘনত্ব মাপার যন্ত্র বা নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম হলো ল্যাক্টোমিটার।
-- name
প্রেসার কুকারে রান্না তাড়াতাড়ি হওয়ার কারণ হলো উচ্চ চাপে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায় ।
-- name
মোজিলা ফায়ারফক্স বা ফায়ারফক্স (ইংরেজি: Mozilla Firefox) মোজিলা ফাউন্ডেশন, ও এর অধীনস্ত মোজিলা কর্পোরেশন কর্তৃক উন্নয়নকৃত একটি ফ্রি ও ওপেন সোর্স[১৪] ওয়েব ব্রাউজার। মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, ম্যাক ওএস, লিনাক্স, বিএসডি অপারেটিং সিস্টেমের[৪][৫] জন্য ফায়ারফক্সের আলাদা আলাদা সংস্করণ রয়েছে। ফায়ারফক্স ফর অ্যানড্রয়েড অ্যানড্রয়েডের ওয়েব ব্রাউজারও এটির একটি শাখা।

Fire fox OS কে সংক্ষেপে B2G বলা হয়।
-- name
COD কি?
COD কাকে বলে?
COD এর পূর্ণরুপ - Cash On Delivery.

শব্দটি বর্তমান সময়ে ব্যাপক ব্যবহৃত হয় অনলাইনে কেনাকাটার ক্ষেত্রে।
-- name
"G.P.S" বা জিপিএস এর পূর্ণরূপ বা সম্পূর্ণ
নাম হলো "Global Positioning
System". বাংলাতে যদি বলা
হয় তাহলে "গ্লোবাল
পজিশনিং সিস্টেম" বলা
হয়।
-- name
Whatsapp এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
হোয়াটসঅ্যাপ মেসেঞ্জার (সংক্ষেপে হোয়াটসঅ্যাপ) সর্বাধিক জনপ্রিয় মেসেজিং এপ ও ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রোটোকল পরিষেবা । প্রায় ২ বিলিয়ন ব্যাবহারকারী রয়েছে এই এপস-টির যা বর্তমানকালের সমধর্মী অন্য কোনো এপস-এর থেকে বেশী। বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমের স্মার্টফোনে এই মেসেঞ্জার ব্যবহার করা যায়। শুধু চ্যাটই নয়, এ মেসেঞ্জারের মাধ্যমে ছবি আদান-প্রদান, ভিডিও ও অডিও মিডিয়া বার্তাও আদান-প্রদান করা যায়। মেসেঞ্জারটি অ্যাপলের আইওএস, ব্ল্যাকবেরি, অ্যান্ড্রয়েড, সিমবিয়ান ও উইন্ডোজ ফোনে ব্যবহার করা যায়।

প্রতিষ্ঠাতা : জ্যান কউম

                ব্রায়ান অ্যাক্টন
-- name
সাধারণত Li-Fi এর পূর্ণরূপ হচ্ছে, লাই-ফাই (Light Fidelity), একটি দ্বিমুখী, উচ্চ গতির এবং ওয়াই ফাই অনুরূপ সম্পূর্ণরূপে তারবিহীন বেতার যোগাযোগ প্রযুক্তি। এটা এখন পর্যন্ত প্রতি সেকেন্ডে 224 গিগাবাইট এর গতি পৌঁছনো, ওয়াই ফাই চেয়ে প্রায় 100 গুণ দ্রুত কাজ করে থাকে ।
-- name
ওয়াই ফাই কে আবিষ্কার করেন?
ওয়াই-ফাই (/ˈwaɪfaɪ/)[১] হল ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক প্রটোকলের পরিবার এবং এই পরিবারের মানদণ্ড আইইইই ৮০২.১১ এর উপর ভিত্তি করে, যা সাধারণত লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক ডিভাইস এবং ইন্টারনেট অ্যাক্সেসের জন্য ব্যবহৃত হয়। [২][৩][৪] ২০১৭-এর হিসাব অনুযায়ী, ওয়াই-ফাই অ্যালায়েন্সে বিশ্বজুড়ে ৮০০ টিরও বেশি সংখ্যক সংস্থা ছিল।[৫] ২০১৮-এর হিসাব অনুযায়ী, সারা বিশ্বে ২.৯৭ বিলিয়নের উপরে ডিভাইসে ওয়াই-ফাই চালু হয়। [৬] ব্যক্তিগত কম্পিউটার ডেক্সটপ এবং ল্যাপটপ , স্মার্টফন এবং ট্যাবলেট , স্মার্ট টিভি , মুদ্রণযন্ত্র , স্মার্ট স্পিকারস , গাড়ি এবং ড্রন ডিভাইস ওয়াই-ফাই প্রযুক্তির অন্তর্গত। ওয়াই-ফাই আইইইই ৮০২ প্রটোকল পরিবারের অসংখ্য অংশ ব্যাবহার করে এবং এটা নকশা করা হয়েছে ইন্টারওয়ার্ক সিমলেসির সাথে ওয়্যারিড সিবিলিং ইথারনেট দিয়ে। সামঞ্জস্যপূর্ণ ডিভাইস একে অপরের ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস পয়েন্টের পাশাপাশি ওয়্যারিড ডিভাইস এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে নেটওয়ার্ক তৈরি করতে পারে।
-- name
ন্যানোপ্রযুক্তি (ন্যানোটেকনলজি বা সংক্ষেপে ন্যানোটেক) পদার্থকে আণবিক পর্যায়ে পরিবর্তন ও নিয়ন্ত্রণ করবার বিদ্যা। ন্যানোটেকনোলজি বা ন্যানোপ্রযুক্তিকে সংক্ষেপে ন্যানোটেক বলা হয়। ন্যানোটেকনোলজি পদার্থকে আণবিক পর্যায়ে পরিবর্তন ও নিয়ন্ত্রণ করার বিদ্যা। [১] সাধারণত ন্যানোপ্রযুক্তি এমন সব কাঠামো নিয়ে কাজ করে যা অন্তত একটি মাত্রায় ১০০ ন্যানোমিটার থেকে ছোট। ন্যানোপ্রযুক্তি বহুমাত্রিক, এর সীমানা প্রচলিত সেমিকন্ডাকটর পদার্থবিদ্যা থেকে অত্যাধুনিক আণবিক স্বয়ং-সংশ্লেষণ প্রযুক্তি পর্যন্ত; আণবিক কাঠামোর নিয়ন্ত্রণ থেকে নতুন বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ন্যানোপদার্থের উদ্ভাবন পর্যন্ত বিস্তৃত। রিচার্ড ফাইনম্যানকে ন্যানোপ্রযুক্তির জনক বলা হয়।

ন্যানোপ্রযুক্তির ব্যবহার চিকিৎসাবিজ্ঞান, ইলেকট্রনিক্স, শক্তি উৎপাদনসহ বহু ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পারে। অপরদিকে পরিবেশের উপর এর সম্ভাব্য বিরূপ প্রভাব নিয়েও সংশয় রয়েছে। তারপরও পৃথিবীর বহু দেশে ন্যানোপ্রযুক্তি নিয়ে ব্যাপক গবেষণা চলছে।

ন্যানো একটি মাপার একক। ম্যাট্রিক একক এর শুরুটা হয়েছিল ১৭৯০ সনে ফ্রান্সে। ফ্রান্স জাতীয় পরিষদ এককগুলিকে সাধারণ করবার জন্য কমিটি গঠন করে এবং তারাই প্রথম ডেসিমাল কিংবা দশ একক এর ম্যাট্রিক পদ্ধতির প্রস্তাব করেন। এবং দৈর্ঘ্যের একক এক মিটার এর সূচনা করেন। তারা পৃথিবীর পরিধির ৪০,০০০,০০০ ভাগের এক ভাগকে এক মিটার বলেন। মিটার শব্দটি গ্রিক শব্দ metron থেকে এসেছে যার অর্থ হল, পরিমাপ। এছাড়া মিটার এর ১০০ ভাগের এক ভাগকে সেন্টিমিটার বলা হয়। ১৭৯৩ সনে ফ্রান্সে আইন করে তা প্রচলন করা হয়। ১৯৬০ সনে এই মিটার এর সংজ্ঞা পরিবর্তন করা হয়। ক্রিপটন ৮৬ এর কমলারঙের রেডিয়েশন এর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ১,৬৫০,৭৬৩.৭৩ ভাগের এক ভাগকে মিটার বলা হয়। ১৯৮৩ সনে মিটার এর সংজ্ঞা পুনরায় পরিবর্তিত করা হয়, বর্তমান সংজ্ঞা অনুযায়ী, বায়ুশুন্যে আলোর গতির ২৯৯,৭৯২,৪৫৮ ভাগের এক ভাগকে মিটার বলা হয়। এই মিটার এর ১,০০০,০০০,০০০ (১০০ কোটি) ভাগের এক ভাগকে ন্যানোমিটার বলা হয়। ন্যানো শব্দটি গ্রিক nanos শব্দ থেকে এসেছে যার অভিধানিক অর্থ হল dwarft কিন্তু এটি মাপের একক হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। আর এই ন্যানোমিটার স্কেলে যে সমস্ত টেকনোলজি গুলি সর্ম্পকিত সেগুলিকেই বলে ন্যানোপ্রযুক্তি।

মিটার এককটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সাথে জড়িত। বাড়িঘর আসবাবপত্র সবই আমরা মাপি এই মিটার এককে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগ পর্যন্ত মিলিমটার স্কেলে যন্ত্রপাতির সূক্ষতা মাপা হত। মিলিমিটার এর ছোট কোন কিছু নিয়ে চিন্তা ভাবনার অবকাশ ছিলনা। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হবার পরে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে এক নতুন যুগের সূচনা হল। সেমিকণ্ডাকটর তার পথযাত্রা শুরু করল। আর এর শুরুটা হল, ট্রানজিস্টর আবিষ্কার দিয়ে। তখন মাইক্রোমিটার একক দিয়ে আমাদের চিন্তভাবনা শুরু হল। বলা যায় যাত্রা শুরু হল, মাইক্রোটেকনোলজির।

এর পরে টেকনোলজি এগুতে লাগলো প্রচন্ড গতিতে। নানা জিনিসপত্র, যার মধ্যে টেলিভিশন, রেডিও, ফ্রিজ ইত্যাদি ইত্যাদি। আর তা কিভাবে আরো ছোট করা যায় তা নিয়েই প্রচন্ত যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল। কোন কম্পানি কত ছোট আকারের এই সমস্ত ভোগ্য জিনিস আমাদের কাছে পৌঁছাতে পারবে, তার প্রতিযোগিতা শুরু হল। আর এই সমস্ত ব্যাপারটা সম্ভব হল, সেমিকণ্ডাকটর সংক্রান্ত প্রযুক্তির কল্যাণে। প্রথম দিকের রেডিও কিংবা টিভির আকার দেখলে আমাদের এখন হাসি পাবে। এত বড় বড় জিনিস মানুষ ব্যবহার করত কিভাবে? সেই প্রশ্নটি হয়তো এসে দাড়াবে। কিন্তু এখন বাজারে দেয়ালে ঝুলাবার জন্য ক্যালেন্ডারের মত পাতলা টিভি এসেছে। সামনে হয়তো আরো ছোট আসবে।

১৯৮০ সনে IBM এর গবেষকরা প্রথম আবিষ্কার করেন STM(Scanning Tunneling Microscope) এই যন্ত্রটি দিয়ে অণুর গঠন পর্য়ন্ত দেখা সম্ভব। এই যন্ত্রটির আবিষ্কারই ন্যানোপ্রযুক্তিকে বাস্তবে রূপ দিতে সক্ষম হয়েছে। কিভাবে কাজ করে এই STM। এই যন্ত্রে খুব সূক্ষ পিনের মত সুচাল টিপ আছে এবং তা যখন কোন পরিবাহী বস্তুর খুব কাছে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন তা থেকে টানেলিং নামে খুব অল্প পরিমাণে বিদ্যুৎ পরিবাহিত হয়। এবং এই বিদ্যুৎ এর পরিমাণ দিয়েই সেই বস্তুটির বাহিরের স্তরের অণুর চিত্র তৈরি করা হয়। তবে এই STM এর ক্ষেত্রে যা দেখতে চাইবো তাকে অবশ্যই বিদ্যুৎ পরিবাহী হতে হবে। কিন্তু বিদ্যুৎ অপরিবাহীর অণুর গঠন কিভাবে দেখা যাবে? না মানুষ বসে থাকেনি। অসম্ভবকে সম্ভব করেই মানুষ যেভাবে এতদূর এসেছে, তেমনি ভাবে এই অসম্ভবকে সম্ভব করা গেল AFM দিয়ে। STM এর ক্ষেত্রে টানেলিং বিদ্যুৎ দিয়ে কাজ করা হয় এবং AFM দিয়ে সূক্ষ্ম পিন দিয়ে অণুর গঠন দেখা সম্ভব।
-- name
স্কাইপ (/ˈskaɪp/; ইংরেজি: Skype) একটি ভিওআইপি সেবা এবং সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন। এই সেবার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেটে যুক্ত হয়ে পরস্পরের সাথে ভয়েস, ভিডিও এবং তাৎক্ষণিক বার্তার মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারে। একজন স্কাইপ ব্যবহারকারী অন্য স্কাইপ ব্যবহারকারীকে বিনামূল্যে কল করতে পারে। ২০১১ সালে মাইক্রোসফট কর্পোরেশন ৮·৫ বিলিয়ন ডলারে স্কাইপ লিমিটেডকে কিনে নেয়।

মূল উদ্ভাবক ঃপ্রিত ক্যাসিসেলু এবং জন ট্যালিন
-- name

WWW এর পূর্ণরূপ World Wide Web (ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব)

  •  টিমথি বার্নার্স-লি নামের একজন ব্রিটিশ বিজ্ঞানী প্রথম www আবিষ্কার করেন। 
  • একটি কম্পিউটারে তথ্য রেখে তা অন্যান্য কম্পিউটার থেকে একসেস  নেওয়ার ধারণা থেকে তিনি ওয়েবের আবিষ্কার করেন। এবং তখন তিনি একটি পূর্ণাঙ্গ ওয়েবসাইটও তৈরি করেন৷ 
  • পরবর্তী কালে তিনি world wide web foundation প্রতিষ্ঠা করেন।
  • বর্তমানে তিনি world web consortium (W3C) এর ডিরেক্টর পদে অধিষ্ঠিত আছেন। 
-- name

১৯৯৬ সালে বাংলাদেশে প্রথম ইন্টারনেট চালু হয়। 

  • যদিও এর আগে ১৯৯৫ সালে 'অফলাইন ই-মেইল'-সেবার মাধ্যমে প্রথম সীমিত আকারে বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারের যাত্রা শুরু হয়েছিল।
  • বর্তমানে বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১০ কোটি (২০২০ সাল পর্যন্ত)। যা দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৬২ শতাংশ। 
-- name
একই সময়ে একাধিক প্রোগ্রাম সচল রাখার ক্ষমতাকে বলে Multitasking বলে।
-- name
টাস্কবার হলো একটি গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেসের প্রদর্শনের প্রান্তে একটি বার যা বর্তমান বা প্রিয় অ্যাপ্লিকেশনগুলিতে দ্রুত অ্যাক্সেসের অনুমতি দেয়।
-- name
Bin মানে হল ঝুড়ি। Dust Bin মানে হল ময়লার ঝুড়ি। আর Recycle Bin হল এমন একটা ঝুড়ি যেখান থেকে ফেলে দেওয়া জিনিস আবার ব্যাবহার করা যায়। পিসিতে এই ব্যবস্থার নাম হল Recycle Bin. Recycle Bin ফল এমন একটা স্থান বা সিস্টেম যার মাধ্যমে আপনার মুছে ফেলা কোন কিছু সংরক্ষণ করা হয়। এবং আপনার প্রয়োজন পরলে আপনি সেখান থেকে কিছু Restore ও করতে পারবেন। এখন কথা হল Recycle Bin এ যায়গা আসে কোত্থেকে? আপনার ড্রাইভগুলো থেকেই Automatically কিছু যায়গা বরাদ্দ রাখা হয় Recycle Bin এর জন্য। ইচ্ছা করলে এর পরিমাণ বাড়ানো যায়।
-- name
ফ্রাগমেন্টেশন

আপনারা যারা কখনো সাধারন হার্ডড্রাইভ খুলে ভেতরে দেখেছেন, দেখবেন, ভেতরে একটি চাকতি রয়েছে। এই চাকতিটির জন্যই একে হার্ড-ডিস্ক ড্রাইভ বলা হয়। আপনার যাবতীয় ডাটা থাকে এই চাকতিটির ভেতরে। এই চাকতিটি সাধারনত অ্যালুমিনিয়াম অ্যালয় দিয়ে তৈরী ( তবে ক্ষেত্রে বিশেষে কাঁচ কিংবা সিরামিক ব্যবহার করা হয় )। এরওপরে থাকে ম্যাগনেটাইজড লেয়ার, যার পুরুত্ব ১০ থেকে ২২ ন্যানোমিটার এর মধ্যে। এর ওপরে থাকে কার্বনের একটি প্রোটেকটিভ লেয়ার, ডিস্কটিকে বেশ কিছু বিপদ থেকে রক্ষা করার জন্য। এই সব মিলিয়ে পুরো ডিস্কটাকে বলা হয় প্ল্যাটার।

আর এই ডিস্কে ডাটা রিড বা রাইট করার জন্য থাকে একটি হেড। আপনারা যারা একসময় ফিতার টেপে চলা ক্যাসেট প্লেয়ার চালিয়েছেন, তারা এরকম একটা হেড দেখেছেন ক্যাসেটের ওপরে। এই হেড ডিস্কের ওপরের ম্যাগনেটিক লেয়ারে ডাটা বাইনারী ব্লক হিসাবে রাইট করে।

সমস্যা হলো, এই ধরনের হার্ডড্রাইভ এ ডাটা গুলো একটার পর একটা ব্লক হিসাবে রাইট করা হয় না। উদাহরন স্বরূপ, ধরুন আমরা একটা বই এর কথা চিন্তা করি। বই এ কিন্তু পাতা গুলো ১-২-৩-৪ এভাবে সিরিয়াল মোতাবেক রাখা হয়। এখন যদি আমি ১ নম্বর পাতার পরে ৪ নম্বর পাতা দেই, এরপর ৩ এবং তারপর দুই, তাহলে পড়ার সময় হবে ঝামেলা। আমাকে ১ নম্বর পাতা পড়ে দুই পাতা উল্টে ২ নম্বর পাতায় যেতে হবে। তারপর আবার আগের পাতা মানে ৩ নম্বর পাতায় আসতে হবে। এরপর আবার আগের পাতা, চার নম্বর পাতায় !

ম্যাগনেটিক হেডটাও ঠিক একই ভাবে কাজ করে। যদি আপনি হার্ডড্রাইভে কোন ফাইল রাখছেন, তবে ফাইলটা এভাবে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন ভাবে রাইট হয়। ১ নং ব্লকের পরে ৯০ নম্বর ব্লক, তারপরে হয়তো অন্য একটা ফাইলের ৭ নম্বর ব্লক, এরপর আবার অন্য একটা ফাইলের ২০ নম্বর ব্লক। কিন্তু যখন আপনি ফাইলটি ওপেন করবেন, তখন ফাইলের ব্লক গুলো সিরিয়াল ধরে ওপেন হয়। ফলে ম্যাগনেটিক হেডটাকে এক একটা ব্লক এক এক যায়গা থেকে খুঁজে আনার জন্য বার বার ঘুরতে হয়। কখনো আগে, কখনো পেছনে। এতে করে হার্ডড্রাইভ এর পারফর্মেন্স এ প্রভাব পড়ে। ফাইল গুলো নানা দূরত্ব থাকার কারনে হার্ডড্রাইভ এর রিডিং স্পিড কমে যায়, টেম্পারেচার বেড়ে যায়।

ডি-ফ্র্যাগমেন্টেশন

ডি-ফ্রাগমেন্টেশন এর ক্ষেত্রে, ফাইল গুলোর এই বিভিন্ন যায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ব্লক গুলোকে একটার পর একটা করে নিয়ে এসে সাজানো হয়। ফলে ম্যাগনেটিক হেডকে একটা ফাইল অ্যাক্সেস করার জন্য গোটা ডিস্কের এই মাথা থেকে ঐ মাথা ঘুড়ে বেড়াতে হয়না ! ফলে পারফর্মেন্স ঠিক থাকে, তাপমাত্রাও ঠিক থাকে। এছাড়াও আরও অনেক উপকার আছে, অনেক, কিন্তু সেগুলো এই পোষ্টের আলোচনার মধ্যে আনা সম্ভব নয়।
-- name
কম্পিউটারের ক্ষেত্রে একটি ডকুমেন্ট ফাইল ফরমেট হল একটি পাঠ্য বা বাইনারি ফাইল ফরমেট যাতে ডকুমেন্ট জমা করে রাখা যায়। যেমন এক্সএমএল ভিত্তিক মুক্ত মানের ডকবুক, এক্সএইচটিএমএল, এবং সাম্প্রতিক আইএসও/আইইসি মানের ওপেনডকুমেন্ট (আইএসও ২৬৩০০:২০০৬) এবং অফিস ওপেন এক্সএমএল (আইএসও ২৯৫০০:২০০৮)।
-- name
একটি টাচস্ক্রিন, বা স্পর্শ পর্দা, একটি ইনপুট ডিভাইস এবং সাধারণত একটি তথ্য প্রক্রিয়াকরণের সিস্টেমের বৈদ্যুতিক দৃশ্যনীয় ডিসপ্লের উপরে স্তর। একজন ব্যবহারকারী একটি বিশেষ লেখনী বা এক বা একাধিক আঙ্গুল দিয়ে স্ক্রীন স্পর্শ করে সহজ বা বহু-স্পর্শ অঙ্গভঙ্গিগুলির মাধ্যমে ইনপুট সরবরাহ করতে পারে বা তথ্য প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে ।[১] কিছু সেন্সর সাধারণ বা বিশেষভাবে লেপা গ্লাভসকে কাজ করার জন্য ব্যবহার করে এবং অন্যরা শুধুমাত্র বিশেষ লেখনী বা কলম ব্যবহার করে কাজ করতে পারে। ব্যবহারকারী কী প্রদর্শিত হয় তার প্রতি প্রতিক্রিয়া জানাতে টাচস্ক্রীন ব্যবহার করতে পারে এবং সফ্টওয়্যার যদি এটি কীভাবে প্রদর্শিত হয় তা নিয়ন্ত্রণ করতে দেয়; উদাহরণস্বরূপ, জুম করে কোনো লেখার আকার বৃদ্ধি।
-- name
গেটওয়ে হলো এমন ধরণের যন্ত্র যেগুলো ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ককে যুক্ত করার জন্য ব্যবহার করা হয়। রাউটার, হাব, ব্রিজ, সুইচ ইত্যাদি যন্ত্র প্রটোকল ট্রান্সলেশনের সুবিধা দেয় না, কিন্তু গেটওয়ে এই সুবিধা দেয় (দুই বা তার অধিক ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করার কাজে)।

-- name
হ্যাকার থেকে বাঁচার উপায়ঃ

ইন্টারনেট সুবিধার পণ্য কিনতে তড়িঘড়ি
বাজারে ইন্টারনেট সুবিধার নতুন পণ্য এলে অনেকেই তা কেনার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়েন। প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতাপ্রতিষ্ঠানগুলো ইন্টারনেট সুবিধার নতুন পণ্য বাজারে আনার জন্য যেভাবে তড়িঘড়ি চালায় প্রাইভেসি ও নিরাপত্তার বিষয়ে তত গুরুত্ব দেয় না। হ্যাকার স্ট্যানস্লাভ বলেন, ‘ইন্টারনেট সুবিধার এমন পণ্য নিরাপদ এ কথা বলার জন্য বলা হলেও আদতে তা নয়। তাই ইন্টারনেট সুবিধার নতুন পণ্যগুলো নিরাপদ কি না, তা দেখে কেনা উচিত।’ওয়াই-ফাই আড়াল নয়
আপনার হোম রাউটার সেটিংসের সময় আপনাকে জিজ্ঞাসা করা হয়, ‘হাইড দ্য এসএসআইডি?’ আপনি যদি আপনার ওয়াই-ফাইকে আড়াল করার জন্য ‘ইয়েস’ নির্বাচন করে দেন, তখন আপনার মোবাইল ফোন বা ল্যাপটপ হোম নেটওয়ার্ক খুঁজে পেতে সক্রিয়ভাবে স্ক্যান করতে থাকে। সংযোগ পেলেও সব সময় নেটওয়ার্ক পাওয়ার জন্য আপনার যন্ত্র স্ক্যান চালিয়ে যায়। এ প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি গোপন একটি প্রকল্পের ওয়াই-ফাই হ্যাকার বেন স্মিথ বলেন, ‘নিরাপত্তার কথা ভাবলে এসএসডি লুকানোর মাধ্যমে আপনি নিজেকে পাঁচ বছর পুরোনো প্রযুক্তির কাছে সমর্পণ করেন।’ওয়াই-ফাই সেটআপ
ওয়াই-ফাই সেটআপের ক্ষেত্রে পাসওয়ার্ড দিন। ডিফল্ট পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন না। সিকিউরিটি এনক্রিপশন দেওয়ার বেলায় ডব্লিউপিএ-২ নির্বাচন করে দিন। বেশির ভাগ রাউটারে ওয়্যারড ইকুভ্যালেন্ট প্রাইভেসি (ডব্লিউইপি) বা ওয়্যারলেস প্রটেক্টেড অ্যাকসেস (ডব্লিউপিএ) ডিফল্ট আকারে দেওয়া থাকে। যেকোনো মূল্যে এ এনক্রিপশন বাদ দিন।এইচটিটিপিএস ব্যবহার
প্রতিটি ওয়েবসাইট ব্রাউজের সময় এইচটিটিপিএস ব্যবহার করুন। এইচটিটিপিএস ব্যবহার করতে ‘এইচটিটিপিএস এভরিহোয়্যার’ টুলটি ব্যবহার করতে পারেন। এই টুলটি আপনার ব্রাউজারের সব তথ্য এনক্রিপ্ট করে। আপনি যদি অ্যাড্রেস বারে শুধু এইচটিটিপি ব্যবহার করেন, তবে যে কেউ আপনার ইন্টারনেট ব্রাউজের বিষয়ে নজরদারি করতে পারে।স্মার্ট পাসওয়ার্ড
যেসব অ্যাকাউন্ট বা ওয়েবসাইটে আপনার স্পর্শকাতর তথ্য রয়েছে, সেগুলোতে দীর্ঘ ও জটিল পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। অক্ষর, চিহ্ন, সংখ্যা প্রভৃতি মিলিয়ে পাসওয়ার্ড জটিল করে তুলুন। প্রতিটি ওয়েবসাইটের জন্য আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন এবং পাসওয়ার্ড মনে রাখতে পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করুন। এ ক্ষেত্রে ‘লাসপাস’ বা ‘পাসওয়ার্ড সেফ’ কাজে লাগতে পারে। প্রতিবছর অন্তত একবার পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন।দুই স্তরের নিরাপত্তা ব্যবহার
এখন আর শুধু পাসওয়ার্ড দিয়ে নিজেকে নিরাপদ ভাবা ঠিক হবে না। প্রায় সময়ই পাসওয়ার্ড হ্যাক হতে দেখা যাচ্ছে।

টু-স্টেপ অথেনটিকেশন বা দুই স্তরের নিরাপত্তা ব্যবহার করুন। এখন অনেক ওয়েবসাইট বা সার্ভিস দুই স্তরের নিরাপত্তা দিচ্ছে। দুই স্তরের এই ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ায় ব্যবহারকারীকে তাঁর অ্যাকাউন্টে নিয়মিত পাসওয়ার্ড ব্যবহারের পাশাপাশি লগ ইন করার সময় স্মার্টফোন ও ট্যাবে আরও একটি কোড ব্যবহার করতে হয়। এতে অতিরিক্ত একটি স্তরের নিরাপত্তা পাওয়া যায়। তাই যতক্ষণ হাতে মোবাইল ফোন থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত আর কেউ অ্যাকাউন্টে ঢুকতে পারছে না সেই বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। অ্যাপল, গুগল, ফেসবুক, ড্রপবক্সের মতো অনেক সার্ভিসের ক্ষেত্রে দুই স্তরের এই ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া রয়েছে। নতুন কোনো যন্ত্রে যখনই লগ ইন করতে যাবেন, তখন পাসওয়ার্ড দেওয়ার পর একটি গোপন কোড চাওয়া হবে। এটি কেবল আপনার ফোনে তৎক্ষণাৎ পাবেন। যদি হ্যাকার আপনার পাসওয়ার্ড জানেন, তবে আপনার মোবাইলে আসা কোড না জানা পর্যন্ত অ্যাকাউন্ট হ্যাক করতে পারবে না।ফোনের ওয়াই-ফাই বন্ধ
সব সময় ফোনের ওয়াই-ফাই বা ব্লুটুথ চালু রাখবেন না। হ্যাকারদের ঝোঁকই হচ্ছে এ ধরনের সুযোগ খোঁজা। সব সময় ওয়াই-ফাই বা ব্লুটুথ চালু রাখলে অপরিচিত ব্যক্তিরাও ফোনের মধ্যে কী আছে, তা দেখার জন্য চেষ্টা চালায়।

সব সময় চালু রাখলে কী সমস্যা? সমস্যা হচ্ছে, আগে কোন কোন নেটওয়ার্কে আপনি সক্রিয় ছিলেন হ্যাকাররা তা জানতে পারেন। আগের সেই নেটওয়ার্কের সূত্র ধরে হ্যাকাররা প্রতারণার ফাঁদ পাতেন। হ্যাকাররা আগের নেটওয়ার্কের ছদ্মবেশে নতুন নেটওয়ার্ক তৈরি করে আপনার ফোনকে আগের কোনো ওয়াই-ফাই বা ব্লুটুথ নেটওয়ার্কে যুক্ত করার জন্য প্রলোভন দেখায়। একবার এই নেটওয়ার্কে ঢুকে পড়লে হ্যাকাররা ফোনে অসংখ্য ম্যালওয়্যার ঢুকিয়ে দেন এবং আপনার অজান্তেই ফোন থেকে তথ্য চুরি, নজরদারির মতো কাজগুলো চালিয়ে যান। তাই যখন প্রয়োজন থাকে না, তখনই ওয়াই-ফাই ও ব্লুটুথ বন্ধ রাখুন।
-- name
ফোনের ওয়াই-ফাই বন্ধ
সব সময় ফোনের ওয়াই-ফাই বা ব্লুটুথ চালু রাখবেন না। হ্যাকারদের ঝোঁকই হচ্ছে এ ধরনের সুযোগ খোঁজা। সব সময় ওয়াই-ফাই বা ব্লুটুথ চালু রাখলে অপরিচিত ব্যক্তিরাও ফোনের মধ্যে কী আছে, তা দেখার জন্য চেষ্টা চালায়।

সব সময় চালু রাখলে কী সমস্যা? সমস্যা হচ্ছে, আগে কোন কোন নেটওয়ার্কে আপনি সক্রিয় ছিলেন হ্যাকাররা তা জানতে পারেন। আগের সেই নেটওয়ার্কের সূত্র ধরে হ্যাকাররা প্রতারণার ফাঁদ পাতেন। হ্যাকাররা আগের নেটওয়ার্কের ছদ্মবেশে নতুন নেটওয়ার্ক তৈরি করে আপনার ফোনকে আগের কোনো ওয়াই-ফাই বা ব্লুটুথ নেটওয়ার্কে যুক্ত করার জন্য প্রলোভন দেখায়। একবার এই নেটওয়ার্কে ঢুকে পড়লে হ্যাকাররা ফোনে অসংখ্য ম্যালওয়্যার ঢুকিয়ে দেন এবং আপনার অজান্তেই ফোন থেকে তথ্য চুরি, নজরদারির মতো কাজগুলো চালিয়ে যান। তাই যখন প্রয়োজন থাকে না, তখনই ওয়াই-ফাই ও ব্লুটুথ বন্ধ রাখুন।দুই স্তরের নিরাপত্তা ব্যবহার
এখন আর শুধু পাসওয়ার্ড দিয়ে নিজেকে নিরাপদ ভাবা ঠিক হবে না। প্রায় সময়ই পাসওয়ার্ড হ্যাক হতে দেখা যাচ্ছে।

টু-স্টেপ অথেনটিকেশন বা দুই স্তরের নিরাপত্তা ব্যবহার করুন। এখন অনেক ওয়েবসাইট বা সার্ভিস দুই স্তরের নিরাপত্তা দিচ্ছে। দুই স্তরের এই ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ায় ব্যবহারকারীকে তাঁর অ্যাকাউন্টে নিয়মিত পাসওয়ার্ড ব্যবহারের পাশাপাশি লগ ইন করার সময় স্মার্টফোন ও ট্যাবে আরও একটি কোড ব্যবহার করতে হয়। এতে অতিরিক্ত একটি স্তরের নিরাপত্তা পাওয়া যায়। তাই যতক্ষণ হাতে মোবাইল ফোন থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত আর কেউ অ্যাকাউন্টে ঢুকতে পারছে না সেই বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। অ্যাপল, গুগল, ফেসবুক, ড্রপবক্সের মতো অনেক সার্ভিসের ক্ষেত্রে দুই স্তরের এই ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া রয়েছে। নতুন কোনো যন্ত্রে যখনই লগ ইন করতে যাবেন, তখন পাসওয়ার্ড দেওয়ার পর একটি গোপন কোড চাওয়া হবে। এটি কেবল আপনার ফোনে তৎক্ষণাৎ পাবেন। যদি হ্যাকার আপনার পাসওয়ার্ড জানেন, তবে আপনার মোবাইলে আসা কোড না জানা পর্যন্ত অ্যাকাউন্ট হ্যাক করতে পারবে না।স্মার্ট পাসওয়ার্ড
যেসব অ্যাকাউন্ট বা ওয়েবসাইটে আপনার স্পর্শকাতর তথ্য রয়েছে, সেগুলোতে দীর্ঘ ও জটিল পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। অক্ষর, চিহ্ন, সংখ্যা প্রভৃতি মিলিয়ে পাসওয়ার্ড জটিল করে তুলুন। প্রতিটি ওয়েবসাইটের জন্য আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন এবং পাসওয়ার্ড মনে রাখতে পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করুন। এ ক্ষেত্রে ‘লাসপাস’ বা ‘পাসওয়ার্ড সেফ’ কাজে লাগতে পারে। প্রতিবছর অন্তত একবার পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন।এইচটিটিপিএস ব্যবহার
প্রতিটি ওয়েবসাইট ব্রাউজের সময় এইচটিটিপিএস ব্যবহার করুন। এইচটিটিপিএস ব্যবহার করতে ‘এইচটিটিপিএস এভরিহোয়্যার’ টুলটি ব্যবহার করতে পারেন। এই টুলটি আপনার ব্রাউজারের সব তথ্য এনক্রিপ্ট করে। আপনি যদি অ্যাড্রেস বারে শুধু এইচটিটিপি ব্যবহার করেন, তবে যে কেউ আপনার ইন্টারনেট ব্রাউজের বিষয়ে নজরদারি করতে পারে।ওয়াই-ফাই সেটআপ
ওয়াই-ফাই সেটআপের ক্ষেত্রে পাসওয়ার্ড দিন। ডিফল্ট পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন না। সিকিউরিটি এনক্রিপশন দেওয়ার বেলায় ডব্লিউপিএ-২ নির্বাচন করে দিন। বেশির ভাগ রাউটারে ওয়্যারড ইকুভ্যালেন্ট প্রাইভেসি (ডব্লিউইপি) বা ওয়্যারলেস প্রটেক্টেড অ্যাকসেস (ডব্লিউপিএ) ডিফল্ট আকারে দেওয়া থাকে। যেকোনো মূল্যে এ এনক্রিপশন বাদ দিন।ওয়াই-ফাই আড়াল নয়
আপনার হোম রাউটার সেটিংসের সময় আপনাকে জিজ্ঞাসা করা হয়, ‘হাইড দ্য এসএসআইডি?’ আপনি যদি আপনার ওয়াই-ফাইকে আড়াল করার জন্য ‘ইয়েস’ নির্বাচন করে দেন, তখন আপনার মোবাইল ফোন বা ল্যাপটপ হোম নেটওয়ার্ক খুঁজে পেতে সক্রিয়ভাবে স্ক্যান করতে থাকে। সংযোগ পেলেও সব সময় নেটওয়ার্ক পাওয়ার জন্য আপনার যন্ত্র স্ক্যান চালিয়ে যায়। এ প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি গোপন একটি প্রকল্পের ওয়াই-ফাই হ্যাকার বেন স্মিথ বলেন, ‘নিরাপত্তার কথা ভাবলে এসএসডি লুকানোর মাধ্যমে আপনি নিজেকে পাঁচ বছর পুরোনো প্রযুক্তির কাছে সমর্পণ করেন।’
ইন্টারনেট সুবিধার পণ্য কিনতে তড়িঘড়ি
বাজারে ইন্টারনেট সুবিধার নতুন পণ্য এলে অনেকেই তা কেনার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়েন। প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতাপ্রতিষ্ঠানগুলো ইন্টারনেট সুবিধার নতুন পণ্য বাজারে আনার জন্য যেভাবে তড়িঘড়ি চালায় প্রাইভেসি ও নিরাপত্তার বিষয়ে তত গুরুত্ব দেয় না। হ্যাকার স্ট্যানস্লাভ বলেন, ‘ইন্টারনেট সুবিধার এমন পণ্য নিরাপদ এ কথা বলার জন্য বলা হলেও আদতে তা নয়। তাই ইন্টারনেট সুবিধার নতুন পণ্যগুলো নিরাপদ কি না, তা দেখে কেনা উচিত।’
-- name
ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করা অনেক সহজ। কারণ এটা ব্যবহার করা অনেক সহজ।

ওয়ার্ডপ্রেসের জন্য সহজলভ্য অনেক থিম থাকায়, যে কোন রকমের সাইট বানানো যায় খুব সহজেই।ক্লিন ওয়ার্ডপ্রেস থিমের আরেকটি সুবিধা হচ্ছে, এটার সিম্পল ডিজাইনের কারণে এটার পারফর্মেন্স অনেক ভালো।১। আপনার ডোমেইন নেম
প্রথমেই যা লাগবে, সেটা হচ্ছে একটা ডোমেইন নেম। এটা আপনার ব্লগের নাম বা ব্যবসার ব্র্যান্ড নেম হতে পারে। ডোমেইনের এক্সটেনশন কি হবে তাও খেয়াল রাখতে হবে।

আবার ডোমেইন আপনার নামও হতে পারে। পার্সোনাল রেজুমে সাইট বানানোর জন্য সেটাই বেষ্ট ডোমেইন চয়েস।

২। ওয়ার্ডপ্রেস সাপোর্ট সহ হোস্টিং প্ল্যান
ডোমেইনের পরেই লাগবে হোস্টিং। থিম ফরেস্টের কিছু থিমের সাথে এনভাটো হোস্টেড সার্ভিসের অফার থাকে।প্রায় সব হোস্টিংই ওয়ার্ডপ্রেস সাপোর্ট করে। ব্যাতিক্রমও কিছু আছে, তবে বেশি না।৩। একটা ক্লিন প্রিমিয়াম থিম
আপনার একটা ক্লিন থিমও লাগবে। প্রিমিয়ামের সুবিধা হচ্ছে এতে ডেভেলাপার সাপোর্ট পাওয়া সহজ হয়। এতে করে থিম রেগুলার আপডেট পাবে।

এই টিউটোরিয়ালে আমরা Roneous WordPress theme ব্যবহার করব। এই থিমে ২৫টিরও বেশি হোমপেজ ডিজাইন রয়েছে।৪। কন্টেন্ট ও ইমেজ
শেষ যা লাগবে, তা হচ্ছে কন্টেন্ট ও ইমেজ। স্টক ফটো পেতে এনভাটো ইলিমেন্টস চেক করতে পারেন। প্রফেশনাল ফটো ঘোলা হয় না। তাই দেখতে ভালো হয়।

ঘোলা ছবি দেখে ভিজিটর কখনও বিরক্ত হবে না। সাইটে আগের ক্লায়েন্টদের টেস্টিমোনিয়ালও রাখতে পারেন। বিশেষ করে যদি ব্যবসার জন্য ওয়েবসাইট হয়।
-- name
নিয়মিত অন্যের ব্লগ পড়া

ব্লগার হওয়ার জন্য প্রথমে আপনাকে অন্যদের ব্লগ পড়তে হবে। জন্মের সময় কেউ ব্লগার হয়ে জন্মায় না, ব্লগার হওয়ার জন্য দরকার অনুশীলন। আর সেই অনুশীলনের জন্য দরকার জ্ঞানের।

প্রথম দিকে জ্ঞান অর্জনের জন্য আপনাকে অন্যের লেখা ব্লগ পড়তে হবে। তাদের লেখার কৌশল এবং উপস্থাপনাগুলো দেখতে হবে। এছাড়া আপনি যে বিষয়ে দক্ষ সেই বিষয়ের উপর লেখা ব্লগগুলো নিয়মিত পড়তে পারেন। এতে করে একটা বিশেষ বিষয়ে আপনার দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে যা আপনাকে প্রো ব্লগার হতে সাহায্য করবে।

ভাষাগত দক্ষতা বৃদ্ধি

যে ভাষায় আপনি ব্লগ লিখবেন, সে ভাষায় আপনাকে অবশ্যই দক্ষতা অর্জণ করতে হবে। দক্ষতা বলতে এমন নয় যে আপনার লেখা সাহিত্যের মত ভাষায় হতে হবে। বরং বানান ভুল এবং আঞ্চলিকতা পরিহার করাটাই ভাষা গত দক্ষতার বিষয়।

এছাড়া, চেষ্টা করতে হবে চলিত এবং সাধারণ মানুষের উপযোগী ভাষায় ব্লগ লেখার। কেননা আপনার ব্লগের প্রধান পাঠক সাধারণ মানুষ, নোবেল কমিটির বিচারকবৃন্দ নয়।

সৃজনশীলতা বৃদ্ধি করুন

নিয়মিত অন্যের লেখা পড়া, কাঙ্ক্ষিত বিষয়ে পরিপূর্ণ জ্ঞান অর্জণ এবং নিজে নিজে লেখার চেষ্টা করার দ্বারা সৃজনশীলতা বৃদ্ধি পাবে। সৃজনশীলতা বৃদ্ধি করতে হলে নিয়মিত লিখতে হবে। যে বিষয়ে লিখতে চান, সে বিষয়ে যদি সঠিক জ্ঞান না থাকে, তবে কখনোই সৃজনশীল কিছু লেখা সম্ভব নয়।

আর সাধারণত সৃজনশীল লেখার পাঠক বেশী থাকে। আপনার লেখা যত সৃজনশীল হবে আপনার পাঠক সংখ্যা তত বৃদ্ধি পেতে থাকবে। মানুষ যা জানে সেটা জানার জন্য কেউ আপনার ব্লগ পড়বে না। বরং নতুন কিছু জানার জন্যই আপনার ব্লগ পড়বে। সুতরাং, নিয়মিত পড়ুন আর সেই সাথে নিত্য নতুন আইডিয়া জেনারেট করুন।

নিয়মিত লিখুন

একটা প্রবাদ আছে চলন্ত পাথরে কখনো শৈবাল জন্মে না, সত্যিকার অর্থে মানুষের মস্তিষ্কও ঐ পাথরের মত। আপনি যদি নিয়মিত না লেখেন, তবে দেখবেন আস্তে আস্তে স্থির পাথরে যেমন শৈবাল জন্মে আপনার মাঝেও অলসতা জন্ম নিবে।

তাই, কাজের মধ্যে উদ্দীপনা তৈরির জন্য আপনাকে নিয়মিত লিখে যেতে হবে। সেই সাথে নিয়মিত অন্যের ব্লগও পড়তে হবে।

লেখার মাঝে ছবি যোগ করুন

লেখার থেকে ছবি মানুষের মস্তিষ্ককে ৯০% দ্রুত আকর্ষণ করতে পারে। তাই লেখার মাঝে যদি আপনি ছবি যোগ করেন, তবে আপনার লেখা ১০০% মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারবে। টিউটোরিয়াল, রেসিপি এবং ট্রাভেলিং ভিত্তি লেখার ক্ষেত্রে ছবি খুব গুরুত্বপূর্ণ। তবে দুটি বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। যথা:

পোস্টের মধ্যে যেন অপ্রয়োজনীয় ছবি যোগ না হয়। এতে করে মনোযোগ আকর্ষণের বদলে পাঠক বিরক্ত হবে।
আর খুব বেশী ছবি যেন যোগ করা না হয়, এতে ওয়েবসাইট লোড হতে সময় নিবে। ফলে পাঠক বিরক্ত হয়ে যাবে। এছাড়া ছবির কোয়ালিটি ঠিক রেখে, ছবির সাইজ কমিয়ে নেয়ার চেষ্টা করতে হবে।
মাঝারি আকারে লিখুন

লেখা যেন খুব ছোট না হয়, আবার খুব বড়ও যেন না হয়। খুব বেশী ছোট হলে পাঠকের লেখার মূল বিষয় বস্তু বুঝতে সমস্যা হবে। অপরদিকে খুব বেশী বড় লেখা হলে পাঠক লেখা পড়ার আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে।

তাই, চেষ্টা করুন যাতে লেখা মাঝারি আকারের হয়। আর যদি বড় লেখা হয়ে যায়, তাহলে লেখার মাঝে যেন বিরক্ত না আসে সে জন্য লেখাগুলোকে ইন্টার‍্যাক্টিভ এবং রসাত্মক ভঙ্গিতে প্রকাশ করতে পারেন।

অন্যের মন্তব্যকে গুরুত্ব দিন

আপনার লেখার পাঠক আপনি নন, তাই অন্য পাঠককে গুরুত্ব দিন। পাঠক কি চায় তা বুঝার চেষ্টা করুন। আপনার কাছে যেটা ভাল পাঠকের কাছে হয়তোবা সেটা ভাল না।

তাই পাঠকের মন্তব্য দেখুন। তার প্রতিটি মন্তব্যের উত্তর দেয়ার চেষ্টা করুন। পাঠকের সাথে সম্পর্ক তৈরি করুন।

ভিজিটর বৃদ্ধি করুন

আপনি ব্লগ লিখে রেখে দিলে হবে না, আপনার ব্লগে ভিজিটর আনা জরুরি। তা না হলে লেখার আগ্রহ থাকবে না এবং আপনার লেখাও বৃথা যাবে। আর ভিজিটর আনার সবচেয়ে কার্যকরী উপায় হল এসইও তথা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। স্বাভাবিকভাবে মানুষের যখন কোন কিছু জানার ইচ্ছা জাগে, তখন গুগলে, বিং কিংবা যে কোনো সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করে। এখন সার্চ করার পর যদি প্রথমে আপনার ওয়েবসাইট আসে, তাহলে তো আপনি সহজে ভিজিটর পেয়ে যাবেন।

এছাড়া সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহারকারীর সংখ্যা অনেক বেশী। এখন আপনি যদি আপনার লেখা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন তবে এসইও এর মত এখন থেকেও আপনি সহজেই আপনার ব্লগের ভিজিটর পাবেন। যা আপনার ব্লগে প্রাণের সঞ্চার ঘটাবে।
-- name
ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড হ্যাকিং এর থেকে বাঁচার উপায়ঃ
★WPS ডিজেবল করে রাখা।
★শক্ত password দিন।
-- name
বাই সাইকেলের জনক কার্ল ভ্যান ড্রেইস।
-- name
আধুনিক ল্যাপটপের জনক হলেন  বিল মোগারিজ।
-- name
গুগল এর প্রতিষ্ঠাতা
মূলত দুইজন। ল্যারি পেইজ ও
সের্গেই ব্রিন।এদেরকেই গুগলের জনক বলা হয়।
-- name
আমেরিকান ইঞ্জিনিয়ার মার্টিন
কুপারকে বলা হয় মোবাইল ফোনের জনক।
-- name
লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম কে তৈরী করে ছিলেন?
লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের জনক বলা হয়  ট্যাভেলড লিনাক্সকে।
-- name
মাইক্রোসফট  কর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা হলেন বিল গেট ও পল অ্যালেন।
-- name
ইন্টারনেট কে আবিষ্কার করেন?
দুই ব্যক্তিকে ইন্টারনেটের
আবিষ্কারক ধরা হয়, রবার্ট
ই. কান এবং ভিনটন জি
কার্ফ ।এই দুই জন ইন্টারনেটের জনক হিসাবে পরিচিত।
-- name
কিছু কিছু লেখক প্রোগ্রামিং ভাষা বলতে কেবল সেই সব ভাষাকে বোঝান যেগুলো সম্ভাব্য সমস্ত অ্যালগোরিদম প্রকাশে সক্ষম;[১] কখনো কখনো সরল ধরনের কৃত্রিম ভাষাগুলোকে প্রোগ্রামিং ভাষা না বলে 'কম্পিউটার ভাষা (computer language) বলা হয়।
-- name
ই-পর্চা হলো ইলেকট্রনিক
পর্চার সংক্ষিপ্ত রূপ।যেখানে জমিজমার দলিল পর্চা ইত্যাদি জিনিস পাওয়া যায় তাকে ই-পর্চা বলে।
-- name
ইন্টারনেটের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ভাবে কোনো কিছু খোঁজা, যেখানে কোনো কিছু লিখে সার্চ দিলেই আমরা নির্দিষ্ট কোন উত্তর বা তথ্য পেয়ে যাই তাকেই সার্চ ইঞ্জণ বলে। যেমনঃ গুগলে যেকোনো প্রয়োজনে আমরা কিছু সার্চ করি।
-- name
পৃথিবীর বৃহত্তম নেটওয়ার্কটি হলো ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক।
-- name
কমপ্যাক্ট ডিস্কটি আবিষ্কার করেছেন হলেন জেমস টি রাসেল।
-- name
বিশ্ব কম্পিউটার কম্পিউটার সাক্ষরতা/Literacy Day দিবস হিসাবে দিনটি পালিত হয় ২২ শে ডিসেম্বর।
-- name
মনো এফ.এম ব্যান্ডটি সর্বপ্রথমে চালু হয় ১৯৪৬ সালে।।
-- name
জাভা সর্বপ্রথম আবিষ্কার করেছিলেন হলেন জেমস এ গোসলিং।
-- name
স্টেরিও এফ.এম ব্যান্ডটি সর্বপ্রথম চালু হয় ১৯৬০ সালে।।
-- name
লংহর্নের কোডটির নাম ছিল বা কোডের নাম হলো উইন্ডোজ ভিস্তা।।
-- name
লাইভওয়্যার বলতে বোঝায় কম্পিউটার দিয়ে কাজ করা লোক বা মানুষ।
-- name
ভারতের হিউম্যান- কম্পিউটার নামে পরিচিত হলেন শকুন্তলা দেবী।
-- name
P.A.L এর পূর্ণরূপ হলো Phase Alternation by Line...
-- name
NSFNET প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল হলো ১৯৮৬ সালে।
-- name
যে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার 2003 সালে সাহিত্যের জন্য নোবেল পেয়েছিলেন তিনি হলেন জে.এম. কোয়েটজি।
-- name
''ওয়েভিং দ্য ওয়েব'' লিখেছিলেন হলেন টিম বার্নার্স লি।।
-- name
বিটা টেস্ট হলো বাণিজ্যিক প্রবর্তনের আগে একটি কম্পিউটার বা সফ্টওয়্যারগুলির Trial পরীক্ষা।
-- name
ARPANET প্রতিষ্ঠানটি মূলত বন্ধ হয়ে যায় হলো ১৯৯০ সালে।।
-- name
ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রকাশিত প্রথম ভারতীয় সিনেমা হলো বিভা/Vivah.
-- name
Rediff.com প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল অজিথ বালাকৃষ্ণান এবং মণীল আগরওয়ালদের দ্বারা।
-- name
বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৫কোটি ২২লাখ (৩২%)।
-- name
পিডিএফ/PDF এর এক্সটেনশন হলো পোর্টেবল ডকুমেন্ট ফর্ম্যাট/ Portable document format।
-- name
RDBMS এর পূর্ণ রুপ হলো Relational Data Base Management System.
-- name
ইন্টারনেটের পরীক্ষামূলক পর্যায়ে ছিল ১৯৬৯ সাল থেকে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত।
-- name
টিভি মূলত একমূখী যোগাযোগ ব্যবস্থা।কারণে এখানে দর্শকরা সরাসরি অংশগ্রহণ করতে পারে না।যার করণে এটি একমূখী হয়ে থাকে।
-- name
"The Difference engine" বিকশিত Charles Babbage এর দ্বারা।
-- name
"Global Village" ও "The Medium is the Message" এর উদ্ভাবক হলেন মার্শাল ম্যাকলুহান।
-- name
The Gutenberg : The Making Typographi Man প্রকাশিত হয় ১৯৬২ সালে।
-- name
এসকিউএল/SQL এর পূর্ণরূপ হলো স্ট্রাকচার্ড ক্যোয়ারী ল্যাঙ্গুয়েজ/ Structured Query Language.
-- name
সিওবিএল/COBOL এর সম্প্রসারণ হলো Common Business Oriented Language.
-- name
মূলত Understanding Media এটি প্রকাশিত হয় ১৯৬৪ সালে।।
-- name
বিশ্বগ্রামের মূলভিত্তিটি হলো নিরাপদ তথ্য আদান প্রদান।
-- name
এসএমএস / SMS এর পূর্ণ রুপ হলো Short Message Service.
-- name
আইবিএম/IBM আইটি সংস্থার ডাক নাম "The Big Blue/দ্য বিগ ব্লু"।
-- name
IEEE এর পূর্ণরূপ হলো Institute of Electric and Electronic Engineers.
-- name
COBOL বিকাশ করেছেন গ্রেস মারি হপার / Grace Murry Hopper.
-- name
বিশ্বগ্রামের মেরুদণ্ড হলো কানেকটিভিটি। কানেকটিভিটিকে বিশ্বগ্রামের মেরুদণ্ড বলা হয়।
-- name
E.H.R এর পূর্ণরুপ হলো ''Electronic Heath Records''.
-- name
বর্তমান বিশ্বের জ্ঞানের প্রধান ভান্ডার হলো ওয়েবসাইট বা ইন্টারনেট।
-- name
ইমেল/Email তৈরি করা হয়েছিল রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন (রে টমলিনসন) এর দ্বারা।
-- name
CMOS এর পূর্ণরূপ হলো Complementary Metal Oxide Semoconductor.
-- name
অফিসের সার্বিক কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয় করাকে অফিস অটোমেশন বলে।
-- name
প্রথম স্মার্ট ফোনটি চালু হয়েছিল 1992 সালে (আইবিএম/IBM সাইমন)।
-- name
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থাকবে পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারগুলোতে।
-- name
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ।
-- name
রোবটের উপাদান হলো Power System Actuator, Sensor, Manipulation.
-- name
আটটি বিট / Bits নিয়েই মূলত একটি বাইট তৈরি করা হয়।।
-- name
Google কোনো Browser নয়।আসলে গুগল হলো একটি Search Engine.
-- name
র্যামের বা Ram এর পূর্ণ রূপ হলো Random Access Memory.
-- name
মূলত P.C.B এর পূর্ণরূপ হলো Printed Circuit Board...
-- name
খ্রিষ্টপূর্ব ২৫০০ সালে ত্বকের চিকিৎসায় শীতল তাপমাত্রা মিশরীয়রা ব্যবহার করতো।
-- name
কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্মের মধ্যে বৈদ্যুতিন উপাদান ব্যবহৃত হয়েছিল Vaccum tubes.
-- name
কম্পিউটারে সমস্ত গাণিতিক এবং যৌক্তিক ফাংশন দ্বারা সম্পন্ন হয় Central Processing Unit.
-- name
নেপোলিয়নের চিকিৎসক ছিলেন হলেন ডমিনিক জ্যা ল্যারি।।
-- name
ব্যক্তি পরিচয় মিথ্যা বলে আপনার কাছ থেকে গোপনীয় তথ্য গ্রহণের প্রচেষ্টা বলা হয় Phishing scams./ফাইজিং কেলেঙ্কারি।
-- name
Ms-Dos operating system/এমএস-ডস অপারেটিং সিস্টেমের প্রোগ্রামার ছিলেন Bill Gates/ বিল গেটস।
-- name
বিদ্যুৎ বন্ধ থাকায় Cache and main memory তাদের বিষয়বস্তু / content হারিয়ে/lose হওয়ার কারনণ তার volatile তাই তথ্য বা কন্টেন্ট হারিয়ে ফেলে।
-- name
VIRUS/ভাইরাস এর সম্পূর্ণ রূপটি হলো Virtual Information Resource Under Seize.
-- name
ইন্টারনেটে থেকে আপনার কম্পিউটারে ফাইল স্থানান্তর করার প্রক্রিয়াটি বলা হয় Downloading.
-- name
আপনার কম্পিউটার থেকে ইন্টারনেটে ফাইল স্থানান্তর করার প্রক্রিয়াটি বলা হয় Uploading.
-- name
সাধারণত U.A.V আকাশে একশো কিলোমিটার পর্যন্ত উঁড়তে সক্ষম।
-- name
MRP এর পূর্ণরুপ হলো Manufacturing Resource Planning.
-- name
G.P.S. এর পূর্ণরুপ হলো Global Positioning System..
-- name
ইন্টারনেটে পণ্য ও পরিষেবা কেনা বেচাকে বলা হয় ই-কমার্স।
-- name
ব্যক্তি সনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয় বায়োমেট্রিক পদ্ধতি।।
-- name
Bioinformatics শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন Paulien Hogeweg.
-- name
Bioinformatics প্রযুক্তির জনক হলেন Margaret Oakley Dayhaff.
-- name
যিনি প্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটরটি তৈরি করেছিলেন তিনি হলেন ব্লেইজ প্যাস্কেল।
-- name
আপনি যখন কোনও পণ্য মোবাইল ফোন ব্যবহার করে কিনেন, তখন এই লেনদেনকে বলা হয় M-Commerce/ এম-কমার্স।
-- name
কীবোর্ড, মাউস, জয়স্টিক এগুলো হলো ইনপুট ডিভাইসের উদাহরণ।
-- name
একটি নেটওয়ার্কের সাথ সংযুক্ত কম্পিউটারকে দেওয়া ঠিকানাকে বলা হয় আইপি ঠিকানা।
-- name
Genetic Engineering শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন Jack Williamson.
-- name
রিকম্বিনান্ট ডিএনএ তৈরি করেন Paul Berg. আর এটি 1972 সালে তৈরি করেন।
-- name
সফটওয়্যারটির নাম হলো ব্রাউজার যা আমাদের ওয়েব পৃষ্ঠাগুলি ব্রাউজ করার অনুমতি দেয়।
-- name
Oracle Corporation/ ওরাকল কর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা হলেন Lawrence J. Ellison/লরেন্স জে এলিসন।
-- name
G.M.O এর পূর্ণরুপ হলো Genetically Modified Organism.
-- name
অণুর গঠন দেখা যায় স্ক্যানিং টানেলিং মাইক্রোস্কোপে মাধ্যমে।
-- name
CDROM Drive/ সিডিআরএম ড্রাইভে ব্যবহৃত হয় অপটিক্যাল প্রযুক্তিটি।
-- name
একটি প্রোগ্রাম যা একটি উচ্চ স্তরে ভাষাকে মেশিন স্তরের ভাষাতে অনুবাদ করে কম্পাইলার।
-- name
সফ্টওয়্যার কোডে ত্রুটি খুঁজে বের করার প্রক্রিয়াটিকে বলা হয় ডিবাগ।
-- name
কোন নির্দিষ্ট বিধি এবং নিয়মনীতি রয়েছে যা একটি অ্যালগোরিদমের যৌক্তিক পদক্ষেপগুলি প্রকাশ করে Syntax.
-- name
একটি অ্যাপ্লিকেশন থেকে অনুলিপি/ copied করা ডেটা সংরক্ষণ করা হয় ক্লিপবোর্ড।
-- name
ডেটা এবং প্রোগ্রামগুলি মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারে মাইক্রোপ্রসেসর ডিভাইসটি।
-- name
সার্ভারগুলি এম কম্পিউটার হয় যা একটি সাথে সংযুক্ত অন্যান্য কম্পিউটারগুলিকে সংস্থান দেয় হলো Network.
-- name
ব্রেইল ছাড়া অন্ধদের পড়ার পদ্ধতি হলো Screen Magnification / Screen Reading Software.
-- name
যোগাযোগ পদ্ধতি বা প্রক্রিয়ার মৌলিক উপাদান হলো পাঁচটি।
-- name
ট্রান্সমিশন স্পিডকে বলা হয়ে থাকে হলো Bandwidth / ব্যান্ডউইথ।
-- name
সাধারণত Bandwidth / ব্যান্ডউইথ মাপা হয় বা পরিমাপ করা হয় bps এককে।
-- name
ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ট্রান্সমিশনকে বলে এসিনক্রোনাস।
-- name
সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনে প্রতি ব্লকে ক্যারেক্টার হলো ৮০-১৩২টি।
-- name
একদিকে ডাটা বা তথ্য প্রেরণকে সিমপ্লেক্স মোড বলা হয়।।
-- name
উভয় দিকে ডাটা প্রেরণকে (তবে এক সাথে নয়) হাফ ডুপ্লেক্স মোড বলে।
-- name
একই সাথে উভয় দিকে ডাটা প্রেরণকে ফুল ডুপ্লেক্স মোড বলে।
-- name
ক্যাবল তৈরি হয় পরাবৈদ্যুতিক (Dielectric) পদার্থ দ্বারা।
-- name
এক্সেল স্প্রেডশিট, পাওয়ারপয়েন্ট, ওয়ার্ড প্রসেসিং অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার উদাহরণ।
-- name
যে উপাত্তকে অর্থবহ উপায়ে সংগঠিত বা উপস্থাপন করা হয়েছে তাকে তথ্য নামে ডাকা হয়।
-- name
উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ‘উইন্ডোজ 8’ আমেরিকান কোম্পানি মাইক্রোসফট এর পন্য
-- name
সি, জাভা, পিএইচপি, সি ++ এর উদাহরণ হলো প্রোগ্রামিং ভাষা/Programming language.
-- name
উইন্ডোতে একটি ডকুমেন্ট মুদ্রণের জন্য শর্টকাটগুলো হলো Ctrl + P.
-- name
একটি ওয়েবসাইটের মূল পৃষ্ঠা বলা হয় হলো হোম পৃষ্ঠাকে।
-- name
শারীরিকভাবে স্পর্শ করা যায় এমন কম্পিউটার সিস্টেম হলো hardware.
-- name
একটি বৈদ্যুতিন ডিভাইস যা তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করে, তথ্যগুলিতে রূপান্তরিত করে হলো computer.
-- name
কম্পিউটারে ব্যবহৃত আইসি চিপগুলি/IC chips সাধারণত তৈরি হয় Silicon দিয়ে।
-- name
অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ নয় হলো Microsoft Office XP.
-- name
একটি গিগাবাইট/Gigabyte সমান প্রায় 1000,000,000 bytes.
-- name
Compression প্রক্রিয়া একটি ছোট ফাইল তৈরি করে যা ইন্টারনেটে দ্রুত স্থানান্তর করা যায়।
-- name
সাধারণত D.B.S ডাটাবেস পরিচালনা করতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
-- name
Non - Volatile Memory এর উদাহরণ হলো রোম বা R.O.M..
-- name
এক্সেল প্রোগ্রাম দ্বারা ওয়ার্কশিট ধরণের ফাইল তৈরি হয়।
-- name
এটিএম/ATM এর সম্পূর্ণ ফর্মটি হলো Automatic Teller Machine.
-- name
কম্পিউটারের স্ক্রিনে জ্বলজ্বল প্রতীকটিকে বলা হয় Cursor/ কার্সর।
-- name
  • দীনেশ চন্দ্র সেন

দীনেশ চন্দ্র সেন রচিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থঃ 

  • বঙ্গভাষা ও সাহিত্য (১ম ও ২য় খণ্ড) (১৮৯৬)
  • তিন বন্ধু (১৯০৪)
  • রামায়ণী কথা (১৯০৪)
  • বেহুলা (১৯০৭)
  • সতী (১৯০৭)
  • ফুল্লরা (১৯০৭)
  • জড় ভরত (১৯০৮)
  • সুকথা (১৯১২)
  • গৃহশ্রী (১৯১৬)
  • নীলমানিক (১৯১৮)
  • মুক্তা চুরি (১৯২০)
  • সরল বাংলা সাহিত্য (১৯২২)
  • বৈদিক ভারত (১৯২২)
  • ঘরের কথা ও যুগসাহিত্য (১৯২২)
  • আলোকে আঁধারে (১৯২৫)
  • চৌকির বিড়ম্বনা (১৯২৬)
  • ওপারের আলো (১৯২৭)
  • পৌরাণিকী (১৯৩৪)
  • বৃহৎ বঙ্গ (১ম ও ২য় খণ্ড) (১৯৩৫)
  • আশুতোষ স্মৃতি কথা (১৯৩৬)
  • শ্যামল ও কাজল (১৯৩৬)
  • পদাবলী মাধুর্য্য (১৯৩৭)
  • পুরাতনী (১৯৩৯)
  • বাংলার পুরনারী (১৯৩৯)
  • প্রাচীন বাঙ্গলা সাহিত্যে মুসলমানের অবদান (১৯৪০)
  • হিন্দু সমাজ ও বৈষ্ণব ধর্ম
  • মৈমনসিংহ গীতিকা
-- name
  • সংবাদ প্রভাকর
সংবাদ প্রভাকর ছিল ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত একটি দৈনিক বাংলা সংবাদপত্র। ১৮৩১ সালে একটি সাপ্তাহিক সংবাদপত্র হিসেবে এটি চালু হয় এবং আট বছর পর ১৮৩৯ সালে এটি একটি দৈনিক সংবাদপত্রে রূপান্তরিত হয়। এটিই বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম দৈনিক সংবাদপত্র। ব্রিটিশ ভারত ও বিদেশের সংবাদ প্রকাশের পাশাপাশি এই সংবাদপত্র ধর্ম, রাজনীতি, সমাজ ও সাহিত্য সম্পর্কে নিজস্ব মতামত প্রকাশ করত। বাংলার নবজাগরণ ও নীল বিদ্রোহের প্রতি মানুষকে সহানুভূতিশীল করে তোলার ক্ষেত্রে এই সংবাদপত্রের বিশেষ প্রভাব ছিল।
-- name
  • 'ম্যাকলুহান' পুরো নাম - মার্শাল ম্যাকলুহান।
  • হার্বার্ট মার্শাল ম্যাকলুহান ইংরেজি সাহিত্যে কানাডীয় অধ্যাপক ও দার্শনিক ছিলেন। পরবর্তীকালে মার্শাল ম্যাকলুহান প্রচার মাধ্যমের দিকে ঝুঁকে পড়েন। প্রচার মাধ্যমের মাধ্যমে সমাজের প্রভাব বিষয়ে তার সম্যক আগ্রহ ছিল। তাকে `বিশ্বগ্রাম ধারণার জনক বা প্রবর্তক' হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।

-- name
  • ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’- গানটির রচয়িতা কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। 
  • গানটি  ১৯০৫ সালে রচিত হয়। 
  • বাউল গায়ক গগন হরকরার গান "আমি কোথায় পাব তারে" থেকে এই গানের সুর ও সঙ্গীত উদ্ভূত।
  • ১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে এই গানটি রচিত হয়েছিল। ১৩ জানুয়ারি, ১৯৭২ তারিখে মন্ত্রীসভার প্রথম বৈঠকে এ গানটির প্রথম দশ লাইন সদ্যগঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে নির্বাচিত হয়।
  • তথ্য সূত্র
-- name
  • নির্ঝরিণী

  • দেবেন্দ্রনাথ সেন (জন্ম: ১৮৫৫ - মৃত্যু: ১৯২০) একজন বাঙালি কবি । রবীন্দ্রনাথের সমসাময়িক কবিদের মধ্যে ইনি অগ্রগণ্য । দেবেন্দ্রনাথ রবীন্দ্রনাথের কবিতার ভক্ত ছিলেন। এঁর কবিতায় ঘরোয়া ভাব এবং স্নেহ, প্রেম এবং ভক্তির সরল প্রকাশ লক্ষ্য করা যায় । 
-- name
  • পাঁচটি

বাংলা ভাষার শব্দকে উৎপত্তিগত দিক দিয়ে পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এ ভাগগুলো হলো : 

  • তৎসম শব্দ
  • অর্ধ-তৎসম শব্দ
  • তদ্ভব শব্দ
  • দেশি শব্দ 
  • বিদেশি শব্দ
-- name
  • ‘কলিকাতা কমলালয়’, ‘নববাবু বিলাস’ গ্রন্থ দু’টির রচয়িতা  ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়
  • ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় (জন্ম: জুলাই, ১৭৮৭ – মৃত্যু: ২০ অক্টোবর, ১৮৪৮) সমাচার চন্দ্রিকা পত্রিকার সম্পাদক ও বাংলা সাহিত্যের প্রথম কথাসাহিত্যিক। ভবানীচরণ গোঁড়া হিন্দুসমাজের প্রতিনিধি ছিলেন ও বাংলায় পাশ্চাত্য শিক্ষা ও চেতনা বিস্তারের প্রবল বিরোধিতা করেন। বাংলা ভাষার উন্নতিকল্পে কয়েকটি পাঠ্যপুস্তকও রচনা করেন।
  • কলিকাতা কমলালয় (১৮২৩) ও নববাবুবিলাস (১৮২৫) গ্রন্থদুটিতে তার আক্রমণের লক্ষ্য ছিল কলকাতার বাবু কালচার ও নব্যোদ্ভূত ইয়ং বেঙ্গল গোষ্ঠী। এছাড়া দূতীবিলাস নামে একটি কাব্য (১৮২৫) ও নববাবুবিলাস-এর দ্বিতীয় পর্ব নববিবিবিলাস (১৮৩১) উল্লেখযোগ্য। এছাড়া শ্রীশ্রীগয়াতীর্থ বিস্তার (১৮৩১), আশ্চর্য্য উপাখ্যান (১৮৩৫) ও পুরুষোত্তম চন্দ্রিকা (১৮৪৪) নামে তিনটি গ্রন্থ রচনা ও হাস্যার্ণব (১৮২২), শ্রীমদ্ভাগবত (১৮৩০), প্রবোধ চন্দ্রোদয় নাটকং (১৮৩৩), মনুসংহিতা (১৮৩৩), ঊনবিংশ সংহিতা (১৮৩৩), শ্রীভগবদ্গীতা(১৮৩৫) ও রঘুনন্দন ভট্টাচার্য কৃত অষ্টাবিংশতি তত্ত্ব নব্য স্মৃতি (১৮৪৮) সম্পাদনা করেন।
  • তথ্য সূত্র ও বিস্তারিত

-- name

আধুনিক কবিদের মধ্যে সবচেয়ে শান্ত, স্নিগ্ধ, ধ্যানী বলে মনে করা হয়  অমিয় চক্রবর্তীকে। 

  • অমিয় চক্রবর্তী 
  • জন্ম: এপ্রিল ১০, ১৯০১
  • মৃত্যু: জুন ১২, ১৯৮৬
  • তিনি  ১৯৬০ সালে চলো যাই গদ্যগ্রন্থের জন্য ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেন।  ১৯৭০ সালে পদ্মভূষণ পুরষ্কারে ভুষিত হন। ঘরে ফেরার দিন কাব্যগ্রন্থের জন্য ১৯৬৪ সালে অর্জন করেন সাহিত্য অকাদেমী পুরস্কার।

অমিয় চক্রবর্তীর প্রকাশিত গ্রন্থাবলিঃ 

কাব্যগ্রন্থঃ

  • কবিতাবলী (১৩৩২ বঙ্গাব্দ)
  • উপহার (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ)
  • খসড়া (১৯৩৮)
  • এক মুঠো (১৯৩৯)
  • মাটির দেয়াল (১৯৪২)
  • অভিজ্ঞান বসন্ত (১৯৪৩)
  • দূরবাণী
  • পারাপার (১৯৫৩)
  • পালাবদল (১৯৫৫)
  • ঘরে ফেরার দিন (১৯৬৪)
  • হারানো অর্কিড
  • পুষ্পিত ইমেজ

গদ্য রচনা

  • চলো যাই (১৯৬০)
  • সাম্প্রতিক
  • পুরবাসী
  • পথ অন্তহীন
  • অমিয় চক্রবর্তীর প্রবন্ধ সংগ্রহ
-- name
-- name
  • ‘হাসির গল্পকার’ বলা হয় রাজশেখর বসু কে
  • গড্ডলিকা
  • কজ্জলী
  • চলন্তিকা
  • হনুমানের স্বপ্ন
  • লঘুগুরু
  • কুটিরশিল্প
  • কালিদাসের মেঘদূত
  • ভারতের খনিজ
-- name
  • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
  • এটি কবির "ভ্রমণকাহিনী ও দিনলিপি" শ্রেনীভুক্ত রচনা।
  • তৃণাঙ্কুর  গ্রন্থখানির রচনাকাল ১৯৪৩ সাল।
  • তথ্য সূত্র ও বিস্তারিত
-- name
  • ‘সংসদ বাঙ্গালা অভিধান’ -এর সংকলক  শৈলেন্দ্র বিশ্বাস
  • শৈলেন্দ্র বিশ্বাস বানারীপাড়ার ইলুহার গ্রামে ১২ সেপ্টেম্বর ১৯১৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন। অবশ্য সংসদ চরিতাভিধানে গ্রামের নাম উলুহার লিখিত রয়েছে, কিন্তু বরিশালে কোনো উলুহার গ্রামের অস্তিত্ব পাওয়া যায় না। তাঁর মৃত্যু ৬ অক্টোবর ১৯৭২। তিনি শিক্ষাবিদ, লেখক ও বিপ্লবী ছিলেন।
  • তথ্য সূত্র ও বিস্তারিত 

-- name
  • ‘সোনাভান’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা  শাহ মুহাম্মদ গরীবুল্লাহ

শাহ মুহাম্মদ গরীবুল্লাহ রচিত আরও কিছু রচনাঃ 

  • ইউসুফ জোলায়খা
  • জঙ্গনামা
  • সোনাভান
  • সত্যপীরের কথা 
  • আমীর হামজা
-- name
  • ইউনেস্কো বাংলার বাউল গানকে বিমূর্ত ঐতিহ্য ঘোষণা করে
  • বাউল গান মূলতঃ বাউল সম্প্রদায়ের গান। যা বাংলা লোকসাহিত্যের একটি বিশেষ অংশ। বাউলরা তাদের দর্শন ও মতামত বাউল গানের মধ্য দিয়ে প্রকাশ করে থাকে। বাউল মতে সতেরো শতকে জন্ম নিলেও লালন সাঁইয়ের গানের মাধ্যমে উনিশ শতক থেকে বাউল গান ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন শুরু করে। তিনিই শ্রেষ্ঠ বাউল গান রচয়িতা। ধারণা করা হয় তিনি প্রায় দু'হাজারের মত গান বেধেছিলেন। রবীন্দ্রনাথ বাউল গান দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন যা তার রচনাতে লক্ষ করা যায়। সাধারণত বাউলেরা যে সংগীত পরিবেশন করে তাকে বাউল গান বলে।
  • বিশ্বের ৪৩টি বাক ও বিমূর্ত ঐতিহ্য চিহ্নিত করতে গিয়ে ইউনেসকো বাংলাদেশের বাউল গানকে অসাধারণ সৃষ্টি বলে আখ্যা দিয়ে একে বিশ্ব সভ্যতার সম্পদ বলে ঘোষণা দিয়েছে। বাউল গানকে ‘ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ’-এর তালিকাভুক্ত করে ইউনেসকো সদর দপ্তর থেকে ২০০৫ সালের ২৭ নভেম্বর এ ঘোষণা দেওয়া হয়। বিশ্ব সংস্থার এই স্বীকৃতির ফলে বাউল গান নিয়ে দেশ-বিদেশে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ।
  • তথ্য সূত্র ও বিস্তারিত
-- name
  • কাশীরাম দাস মহাভারতের সার্থক অনুবাদক। 
  • কাশীরাম দাস বা কাশীরাম দেব ছিলেন মধ্যযুগীয় বাঙালি কবি। 
  • কাশীরাম দাস অনূদিত মহাভারতই বাংলা ভাষায় সবচেয়ে জনপ্রিয়।

মহাভারত

-- name
  • বাংলাদেশে 'গ্রাম থিয়েটারে'র প্রবর্তক সেলিম আল দীন
  • জন্মঃ ১৮ আগস্ট, ১৯৪৯
  • মৃত্যুঃ ১৪ জানুয়ারি, ২০০৮
  • জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের প্রতিষ্ঠা সেলিম আল দীনের হাত ধরেই। তার সম্পাদনায় ‘থিয়েটার স্ট্যাডিজ’ নামে পত্রিকা প্রকাশিত হতো নাট্যতত্ত্ব বিভাগ থেকে। ঢাকা থিয়েটারের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সেলিম আল দীন ১৯৮১-৮২ সালে নাট্য নির্দেশক নাসির উদ্দীন ইউসুফকে সাথী করে গড়ে তোলেন বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার
-- name
  • নবীনচন্দ্র সেন বাংলা সাহিত্যের একজন উল্লেখযোগ্য কবি।
  • জন্ম: ১০ ফেব্রুয়ারি, ১৮৪৭
  • মৃত্যু: ২৩ জানুয়ারি, ১৯০৯

নবীনচন্দ্র সেন রচিত কাব্য গ্রন্থ সমূহঃ 

  • পলাশির যুদ্ধ (১৮৭৫)
  • রৈবতক (২রা ফেব্রুয়ারি ১৮৮৭)
  • কুরুক্ষেত্র ( ১৮ই জুলাই ১৮৯৩)
  • প্রভাস (১৮৯৭)
  • ক্লিওপেট্রা (১৮৭৭)
  • অমিতাভ (১৮৯৫)
  • অমৃতাভ
  • রঙ্গমতী (১৫ই জুলাই ১৮৮০) 
  • খ্রীস্ট (১৮৯০) - যীশুর জীবন অবলম্বনে
  • অমিতাভ - বুদ্ধদেবের জীবন অবলম্বনে
  • অমৃতাভ - শ্রী চৈতন্যের জীবন অবলম্বনে
-- name

আধুনিকভাবে বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতিতে মৌমাছি প্রতিপালন ও মৌমাছির মধু সংগ্রহ করাকে এপিকালচার (Apiculture) বলে।

-- name
  • মাচু পিচুই সম্ভবত ইনকা সভ্যতার সবচেয়ে পরিচিত নিদর্শণ, যাকে ইনকাদের হারানো শহর বলা হয়।
  • মাচু পিকচু অর্থাৎ "পুরানো চূড়া"
  • সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে যার উচ্চতা ২৪০০ মিটার 
  • এটিকে ১৯৮১ সালে পেরুর সংরক্ষিত ঐতিহাসিক এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং ইউনেস্কো ১৯৮৩ সালে এটিকে তাদের বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।
-- name
  • বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর। 

এছাড়া,

  • সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮(৪) অনুসারে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা অন্যূন ৩৫ বছর বয়স।
  • নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার নুন্যতম বয়স ২৫ বছর 
  • জাতীয় সংসদের স্পিকার হওয়ার নুন্যতম বয়স ২৫ বছর 
-- name
  • 'আমাদের সংগ্রাম চলবেই' গানটির রচয়িতা সিকান্দার আবু জাফর
  • জন্মঃ ১৯ মার্চ ১৯১৮/১৯১৯ 
  • মৃত্যুঃ ৫ আগস্ট ১৯৭৫
সিকান্দার আবু জাফর রচিত কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ ঃ
  • প্রসন্ন প্রহর (১৯৬৫)
  • বৈরী বৃষ্টিতে (১৯৬৫)
  • তিমিরান্তিক (১৯৬৫)
  • বৃশ্চিক লগ্ন (১৯৭১)
  • বাংলা ছাড়
-- name
  • যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তকে বাংলা সাহিত্যের ‘দুঃখবাদী কবি’ বলা হয়।
  • জন্ম: ২৬ জুন, ১৮৮৭
  • মৃত্যু: ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৪

যতিন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত রচিত কয়েকটি গ্রন্থঃ

  • অনুপূর্বা(১৯৪৬)
  • মরুমায়া (১৯৩০),
  • সায়ম (১৯৪০),
  • ত্রিযামা (১৯৪৮),
  • কাব্য পরিমিতি(১৯৩১),
  • মরীচিকা (১৯২৩),
  • মরুশিখা (১৯২৭),
  • নিশান্তিকা (১৯৫৭)

শেষ বয়সে ম্যাকবেথ, হ্যামলেট, ওথেলো, শ্রীমদ্ভগবদগীতা, কুমারসম্ভব ইত্যাদির অনুবাদকাজে আত্মনিয়োগ করেছিলেন।

তথ্য সুত্র ও বিস্তারিত

-- name
  • 'সময় গেলে সাধন হবে না' -গানটির রচয়িতা  ফকির লালন সাঁইজি বা লালন ফকির।
-- name
  • অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মহাদেশ, কিন্তু ৬ষ্ঠ বৃহত্তম দেশ। 
  • অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরা
  • অস্ট্রেলিয়া জাতীয় প্রতীক ক্যাঙ্গারু 

-- name
  • 'এক নদী রক্ত পেরিয়ে' গানটির গীতিকার -মোঃ মনিরুজ্জামান
  • জন্ম: ১৫ আগস্ট, ১৯৩৬
  • মৃত্যু: ৩ সেপ্টেম্বর, ২০০৮

মোঃ মনিরুজ্জামান রচিত কয়েকটি জনপ্রিয় গানঃ

  • আমারও দেশেরও মাটিরও গন্ধে, ভরে আছে সারা মন
  • প্রতিদিন তোমায় দেখি সূর্যের আগে
  • ভাষার জন্য যারা দিয়ে গেছে প্রাণ
  • বাংলাদেশের স্বাধীনতা লক্ষ প্রাণের দাম
  • হলুদ বাটো মেন্দি বাটো
  • কিছু আগেই হলে ক্ষতি কী ছিল
  • দুঃখ সুখের দোলায় দোলে ভব নদীর পানি
  • হেসে খেলে জীবনটা যদি চলে যায়
  • প্রেমের নাম বেদনা
  • ঐ দূর দূর দূরান্তে
  • অশ্রু দিয়ে লেখা এ গান
  • কত যে ধীরে বহে মেঘনা
  • ও দুটি নয়নে স্বপনে চয়নে নিজেরে যে ভুলে যায়।
-- name
  • ধনধান্য পুষ্পভরা আমাদের এই বসুন্ধরা- গানটির রচয়িতা- ডি এল রায় (দ্বিজেন্দ্রলাল রায়)
  • জন্মঃ ১৯ জুলাই ১৮৬৩
  • মৃতুঃ ১৭ মে ১৯১৩
  • দ্বিজেন্দ্রলাল রায় রচিত গানের সংখ্যা প্রায় ৫০০ ।
-- name
  • হাইকু মূলত  জাপানি কবিতা
  • হাইকু (একবচনে "হাইকি") একধরনের সংক্ষিপ্ত জাপানি কবিতা। তিনটি পংক্তিতে যথাক্রমে ৫, ৭ এবং ৫ জাপানি শ্বাসাঘাত মোরাস মিলে মোট ১৭ মোরাসের সংক্ষিপ্ত পরিসরে একটি মুহূর্তে ঘটিত মনের ভাব প্রকাশ করা হয়। 
  • জাপানি হাইকু একটি লাইনে লিখিত হয়। সেই বাক্যটিতে ১৭টি মোরাস থাকে। সাধারণত একটি ছবি বর্ণনা করার জন্য হাইকু লিখিত হয়। মোরাস ও মাত্রা একই ব্যাপার নয়। ইউরোপিয়গণ ১৭ মোরাসকে ১৭ দল মনে করে হাইকু লেখার সূত্রপাত করে। 
  • এদের দেখাদেখি বাংলা ভাষায় ১৭ মাত্রার হাইকু লেখার প্রচলন হয়। 
-- name
  • ‘সারদামঙ্গল’ কাব্যে কবি বিহারীলাল কল্পিত ‘সারদা’ হচ্ছেন  স্বরস্বতী
  • ১৮৭৯ সালে প্রকাশিত “সারদামঙ্গল” কবি বিহারীলাল চক্রবর্তীর শ্রেষ্ঠ কাব্য। 
  • এটি মূলত গীতিকবিতাধর্মী কাব্য 
-- name
  • ভিসা একটি অনুমতি পত্র যা একটি দেশ কোন বিদেশী নাগরিককে ঐ দেশে প্রবেশ ও অবস্থানের জন্য দিয়ে থাকে। 
  • বায়োমেট্রিক ভিসা হচ্ছে ভিসা ব্যবস্থাপনার সর্বশেষ ডিজিটাল সংস্করণ যেখানে ব্যক্তির আঙ্গুলের ছাপের ব্যবহার প্রয়োজন পড়ে। 
-- name
  • ক্লোনিং পদ্ধতিতে মানব শিশু তৈরি করাকেই  মানব ক্লোনিং বলা হয়। 
  • অধিকাংশ বিজ্ঞানী এটা আশঙ্কা করেন এর মাধমে বিখ্যাত বা কুখ্যাত কোন মৃত বা জীবিত ব্যক্তিকে পুনরায় সৃষ্টি করা হতে পারে বা বিকলাঙ্গ শিশু তৈরি হতে পারে । 
  • এ কারনে এই পদ্ধতি পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। 
  • জনসাধারণের কাছে মানব ক্লোনিং বলতে কৃত্তিমভাবে তৈরি মানুষ।
  • ক্লোনিং-এর মাধ্যমে তৈরি ব্যক্তি  হুবহু একই  চেহারাধারী হলেও তাদের আচরণ হুবহু একরকম হয় না। 

প্রথম ক্লোন শিশু

  • বিশ্বের প্রথম ক্লোন মানব শিশু ‘ইভ’ 
  • জন্মঃ ২৬ ডিসেম্বর ২০০২
  • মানব গবেষণা সংস্থা ‘ক্লোনেইড’  এ কন্যা শিশুটিকে সৃষ্টি করে।
  • মূলত, তার মায়ের  জিন থেকেই তাকে সৃষ্টি করা হয়। 
  • জন্মের সময় তার ওজন ছিল ৭ পাউন্ড। 
  • নিরাপত্তর কথা চিন্তা করে   শিশুটির ভূমিষ্ট হওয়ার ছবি বা বিশদ কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
বহির্সংযোগঃ  
-- name

‘তপসে মাছ’ কবিতাটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত রচিত একটি কবিতা।

  • ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত 
  • জন্মঃ ৬ মার্চ ১৮১২ 
  • মৃত্যুঃ ২৩ জানুয়ারি ১৮৫৯
  • ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বাঙ্গালী কবি ও সাহিত্যিক এবং সাংবাদিক । 
  • তিনি সংবাদ প্রভাকর (বা 'সম্বাদ প্রভাকর') এর সম্পাদক ছিলেন। 
  • তিনি "গুপ্ত কবি" নামেই বেশি পরিচিত  ছিলেন।
  • তার ছদ্মনাম 'ভ্রমণকারী বন্ধু'।
-- name
তপসে মাছ কবিতা ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের লেখা। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত (৬ মার্চ ১৮১২ - ২৩ জানুয়ারি ১৮৫৯) ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক এবং সাংবাদিক ।
-- name
  • হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধায় ১৮৭৫ সালে মহাকাব্য  ‘বৃত্রসংহার’ রচনা করেন। 

হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত আরও কিছু গ্রন্থঃ 

  • প্রথম কাব্য চিন্তাতরঙ্গিনী (১৮৬১)
  • বীরবাহু (১৮৬৪),
  • আশাকানন (১৮৭৬),
  • সাঙ্গরূপক কাব্য,
  • ছায়াময়ী (১৮৮০),
  • বিবিধ কবিতা (১৩০০)
  • বৃত্রসংহার (১৮৭৫)
  • দশ মহাবিদ্যা(১৮৮২)
-- name
মহাকাব্য জাতীয় রচনা বৃত্তসংহার রচয়িতা হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়।

 হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়(১৭ এপ্রিল, ১৮৩৮ - ২৪ মে, ১৯০৩) হিন্দু কলেজের ছাত্র এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক। মধুসূদনের পরবর্তী কাব্য রচয়িতাদের মধ্যে ইনি সে সময় সবচেয়ে খ্যাতিমান ছিলেন। বাংলা মহাকাব্যের ধারায় হেমচন্দ্রের বিশেষ দান হচ্ছে স্বদেশ প্রেমের উত্তেজনা সঞ্চার।
-- name

রিকশার আবিষ্কারের বিষয়ে মতবিরোধ আছে। তবে সবচেয়ে গ্রহনযোগ্য মত হলো-

  • রিক্সা প্রথম আবিষ্কার হয় জাপানে।
  • ইজুমি ইয়োসুকি, সুজুকি টোকুজিরো, তাকায়ামা কোসুকি, এই তিন জন ১৮৬৮ সালে প্রথম রিক্সা আবিষ্কার করেন। 
  • বাংলাদেশে প্রথম রিক্সার আগমন ঘটে ১৯১৯ সালে, চট্টগ্রামে। 
  • ১৯৪১ সালে ঢাকায় রিক্সার সংখ্যা ছিল ৩৭ টি। 
-- name
  • যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত বাংলা ভাষার কবি ও লেখক।
  • জন্ম: ২৬ জুন, ১৮৮৭ 
  • মৃত্যু: ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৪

যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত রচিত কাব্যগ্রন্থ সমূহঃ 

  • অনুপূর্বা(১৯৪৬)
  • মরুমায়া (১৯৩০),
  • সায়ম (১৯৪০),
  • ত্রিযামা (১৯৪৮),
  • কাব্য পরিমিতি(১৯৩১),
  • মরীচিকা (১৯২৩),
  • মরুশিখা (১৯২৭),
  • নিশান্তিকা (১৯৫৭) 
-- name
  • যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত একজন বাঙ্গালী কবি ও লেখক।
  • জন্ম: ২৬ জুন, ১৮৮৭
  • মৃত্যু: ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৪

যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত  রচিত কাব্য গ্রন্থ সমূহঃ 

  • অনুপূর্বা(১৯৪৬)
  • মরুমায়া (১৯৩০),
  • সায়ম (১৯৪০),
  • ত্রিযামা (১৯৪৮),
  • কাব্য পরিমিতি(১৯৩১),
  • মরীচিকা (১৯২৩),
  • মরুশিখা (১৯২৭),
  • নিশান্তিকা (১৯৫৭)
-- name
  • পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি এইডস রোগী রযেছে দক্ষিণ আফ্রিকায় 
  • ২০১৬ সালের হিসাব অনুযায়ী বিশ্বে প্রায় ৩ কোটি ৬৭ লক্ষ লোক এইচআইভি  দ্বারা আক্রান্ত ছিল এবং ঐ বছর এইডসের কারণে ১০ লক্ষ লোকের মৃত্যু হয়।
  • বেশির ভাগ এইডস আক্রান্ত রোগীই সাহারা-নিম্ন আফ্রিকাতে বাস করে।
-- name
  • পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি এইডস রোগী রযেছে দক্ষিণ আফ্রিকায় 
  • ২০১৬ সালের হিসাব অনুযায়ী বিশ্বে প্রায় ৩ কোটি ৬৭ লক্ষ লোক এইচআইভি  দ্বারা আক্রান্ত ছিল এবং ঐ বছর এইডসের কারণে ১০ লক্ষ লোকের মৃত্যু হয়।
  • বেশির ভাগ এইডস আক্রান্ত রোগীই সাহারা-নিম্ন আফ্রিকাতে বাস করে।

তথ্য সূত্র ও বিস্তারিত

-- name

'যুগস্রষ্টা নজরুল' গ্রন্থটি খান মুহাম্মদ মঈন উদ্দীন রচিত একটি জীবনী গ্রন্থ। 

  • খান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন 
  • জন্মঃ ৩০ অক্টোবর ১৯০১
  • মৃত্যুঃ ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৮১
  • খান মুহাম্মদ মঈন উদ্দীন ছিলেন একজন বাংলাদেশী কবি ও সাহিত্যিক।
  • তার লেখা "কাঁনা বগির ছা" কবিতাটি বাংলাদেশের শিশুদের নিকট অত্যন্ত জনপ্রিয় 
  • "যুগশ্রেষ্ঠ নজরুল" নামক জীবনীটির জন্য তিনি বহুলভাবে সমাদৃত। 

তথ্য সূত্র ও বিস্তারিত 

-- name
যুক্তরাষ্ট্রে নজরুল গ্রন্থটি লিখেছেন খান মোহাম্মদ মহিউদ্দিন। খান মোহাম্মদ মহিউদ্দিন এর একটি বিখ্যাত গ্রন্থ যুক্তরাষ্ট্র নজরুল।
-- name
  • নিরক্ষরেখায় দিন রাত্রি সর্বত্র সমান হয়। 
  • এটি একটি কাল্পনিক রেখা যা পৃথিবীর মাঝ বরাবর এবং উত্তর মেরু এবং দক্ষিণ মেরু থেকে সমান  দুরত্বে কল্পনা করা হয় এবং যা পৃথিবীকে দক্ষিণ গোলার্ধ এবং উত্তর গোলার্ধে ভাগ করে।
  • এই রেখাটির মান ০ ডিগ্রি। 
  • নিরক্ষরেখার অপর নাম বিষুবীয় রেখা
  • সূর্য সারা বছর নিরক্ষরেখায় লম্বভাবে কিরণ দেয়।
-- name
  • ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ছিলেন বাংলা বিরাম চিহ্নের স্রষ্টা। 
  •  বাংলা ভাষায় ২০টির মতো যতিচিহ্ন রয়েছে। এদের মধ্যে বাক্যশেষে ব্যবহার্য যতিচিহ্ন ৪টি; বাক্যের ভিতরে ব্যবহার্য ১০টি এবং বাক্যের আগে পরে ব্যবহার্য ৬টি।

-- name
১৯৮১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের HIV রোগী চিহ্নিত করা হয়।
-- name
  • ১৯৮১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিডিসি (Center of Disease Control and Prevention)  এই রোগ প্রথম শনাক্ত করে।
  • AIDS= Acquired Immuno Deficiency Syndrome 
  • HIV= Human immunodeficiency virus
-- name
  • সাংবাদিক ও লেখক আবদুল গাফফার চৌধুরী ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারিতে গানটি রচনা করেন। 
  • প্রথম সুরকারঃ আবদুল লতিফ । 
  • পরবর্তী সুরকারঃ  আলতাফ মাহমুদ
  • আলতাফ মাহমুদের  করা সুরটিই অধিক জনপ্রিয়তা লাভ করে। 
  • ১৯৫৪ সালের প্রভাত ফেরীতে প্রথম গাওয়া হয় আলতাফ মাহমুদের সুরে আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো গানটি।
  • ১৯৬৯ সালে জহির রায়হান তার 'জীবন থেকে নেওয়া' চলচ্চিত্রে গানটি ব্যবহার করেন। 
  • বর্তমানে এই গানটি হিন্দি, মালয়, ইংরেজি, ফরাসি, সুইডিশ, জাপানিসহ ১২টি ভাষায় গাওয়া হয়।
-- name

'জন্ম যদি তব বঙ্গে' মূলত একটি গল্প গ্রন্থ। গ্রন্থটির রচয়িতা শওকত ওসমান। 

লেখক শওকত ওসমানের মূল নাম শেখ আজিজুর রহমান যদিও তিনি শওকত ওসমান নামেই সমধিক পরিচিত। 

  • শেখ আজিজুর রহমান 
  • জন্মঃ ২ জানুয়ারি ১৯১৭
  • মৃত্যুঃ  ১৪, ১৯৯৮
  • শওকত ওসমান ছিলেন বাংলাদেশের একজন চিন্তক, লেখক ও কথাসাহিত্যিক। তিনি একাধারে নাটক, রম্যরচনা, গল্প, রাজনৈতিক লেখা, উপন্যাস, প্রবন্ধ,   শিশু-কিশোর সাহিত্য রচনা করেছেন।

সম্মাননা সমূহঃ 

  • বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৬২), 
  • আদমজী সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৬), 
  • পাকিস্তান সরকারের প্রেসিডেন্ট পুরস্কার (১৯৬৭), 
  • একুশে পদক (১৯৮৩), 
  • স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (১৯৯৭)

তথ্য সূত্র ও বিস্তারিত

-- name
  • ‘গহনার বাক্স’ নামক গল্পগ্রন্থটির রচয়িতা প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় 
  • জন্ম- ৩ ফেব্রুয়ারি, ১৮৭৩
  • মৃত্যু - ৫ এপ্রিল, ১৯৩২

একই নামে অন্য সাহিত্যঃ 

গয়নার বাক্স নামক একটি ভৌতিক হাসির চলচ্চিত্র নির্মিত হয় যা ১২ই এপ্রিল ২০১৩ মুক্তি পায়। শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় রচিত দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত ছোট গল্প রাসমনির 'সোনাদানা' অবলম্বনে গয়নার বাক্স ছবিটি নির্মিত হয়। 

-- name
  • ‘জীবনের মূল্য’ উপন্যাসটির রচয়িতা প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়। 
  • জন্ম- ৩ ফেব্রুয়ারি, ১৮৭৩ 
  • মৃত্যু - ৫ এপ্রিল, ১৯৩২

প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় রচিত আরও কিছু গল্প ও উপন্যাসঃ 

গল্প সংকলন:

  • নবকথা (১৮৯৯)
  • ষোড়শী (১৯০৬)
  • দেশী ও বিলাতী (১৯০৯)
  • গল্পাঞ্জলি (১৯১৩)
  • গল্পবীথি (১৯১৬)
  • পত্রপুষ্প (১৯১৭)
  • গহনার বাক্স ও অন্যান্য গল্প (১৯২১)
  • হতাশ প্রেমিক ও অন্যান্য গল্প (১৯২৪)
  • বিলাসিনী ও অন্যান্য গল্প (১৯২৬)
  • যুবকের প্রেম ও অন্যান্য গল্প (১৯২৮)
  • নতুন বউ ও অন্যান্য গল্প (১৯২৯)
  • জামাতা বাবাজী ও অন্যান্য গল্প (১৯৩১)

উপন্যাস সমূহ

  • রমাসুন্দরী (১৯০৮)
  • নবীন সন্ন্যাসী (১৯১২)
  • রত্নদীপ (১৯১৫)
  • জীবনের মূল্য (১৯১৭)
  • সিন্দুর কৌটা (১৯১৯)
  • মনের মানুষ (১৯২২)
  • আরতি (১৯২৪)
  • সত্যবালা (১৯২৫)
  • সুখের মিলন (১৯২৭)
  • সতীর পতি (১৯২৮)
  • প্রতিমা (১৯২৯)
  • বিদায় বাণী (১৯৩৩)
  • গরীব স্বামী (১৯৩৮)
  • নবদুর্গা (১৯৩৮)

অন্যান্য গ্রন্থ

  • অভিশাপ (ব্যঙ্গকাব্য)
-- name
জীবনের মূল্য’ উপন্যাসটির রচয়িতা প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়।

‘জীবনের মূল্য’ উপন্যাসটির রচয়িতা প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়।

জন্ম- ৩ ফেব্রুয়ারি, ১৮৭৩

মৃত্যু - ৫ এপ্রিল, ১৯৩২

প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় রচিত আরও কিছু গল্প ও উপন্যাসঃ

গল্প সংকলন:

নবকথা (১৮৯৯)

ষোড়শী (১৯০৬)

দেশী ও বিলাতী (১৯০৯)

গল্পাঞ্জলি (১৯১৩)

গল্পবীথি (১৯১৬)

পত্রপুষ্প (১৯১৭)

গহনার বাক্স ও অন্যান্য গল্প (১৯২১)

হতাশ প্রেমিক ও অন্যান্য গল্প (১৯২৪)

বিলাসিনী ও অন্যান্য গল্প (১৯২৬)

যুবকের প্রেম ও অন্যান্য গল্প (১৯২৮)

নতুন বউ ও অন্যান্য গল্প (১৯২৯)

জামাতা বাবাজী ও অন্যান্য গল্প (১৯৩১)

উপন্যাস সমূহ

রমাসুন্দরী (১৯০৮)

নবীন সন্ন্যাসী (১৯১২)

রত্নদীপ (১৯১৫)

জীবনের মূল্য (১৯১৭)

সিন্দুর কৌটা (১৯১৯)

মনের মানুষ (১৯২২)

আরতি (১৯২৪)

সত্যবালা (১৯২৫)

সুখের মিলন (১৯২৭)

সতীর পতি (১৯২৮)

প্রতিমা (১৯২৯)

বিদায় বাণী (১৯৩৩)

গরীব স্বামী (১৯৩৮)

নবদুর্গা (১৯৩৮)

অন্যান্য গ্রন্থ

অভিশাপ (ব্যঙ্গকাব্য)
-- name
  • ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহকে  বলা হত 'চলিষ্ণু অভিধান' 
  • তিনি ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের একজন  বহুভাষাবিদ, বিশিষ্ট শিক্ষক ও দার্শনিক
-- name
  • আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল এর বর্তমান সদস্য দেশ ১৭৭টি .

-- name
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম (২৩ জুলাই ২০২০) । তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজের সার্জারি বিভাগের একজন অধ্যাপক।
-- name

২০১৫ সালের ৭ মে  ভারতীয় সংসদের নিম্ন কক্ষ লোকসভায় 'ভারত ও বাংলাদেশের' মধ্যকার স্থল সীমান্ত চুক্তি সংক্রান্ত বিল ৩৩১-০ ভোটের ব্যবধানে পাশ হয়।  যদিও বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালেই চুক্তিটি অনুমোদন করেছিল। 

  • বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত চুক্তি বিল  ১৯৭৪ সালের মে মাসে দুই দেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীশেখ মুজিবর রহমানের মধ্যে সই হয়েছিল। 
  • চুক্তিটির মূল বিষয়বস্তু ছিল দুই দেশের সীমান্তে কয়েক দশক ধরে চলা বিরোধপূর্ণ এলাকা ও ছিটমহল সমস্যা সমাধানের জন্য বড়-মাপের ভূখণ্ড বিনিময়।
  • ২০১৫ সালে ৩১ জুলাই মধ্যরাতের পর ছিটমহল বিনিময়ের মধ্যদিয়ে   চুক্তিটি কার্যকর হয়।

তথ্য সূত্র ও বিস্তারিত

-- name
  • বাংলাদেশের প্রথম সংবাদপত্রের নাম আজাদী। 
  • ১৯৭১ সালের ১৭ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম থেকে এই পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়। 
  • আজাদী পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন আলহ্বাজ মোহাম্মদ আব্দুল খালেক। 
-- name

"প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে" কাব্যগ্রন্থটি "শামসুর রাহমান" রচিত। এটি  ১৯৭৮ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। 

-- name
  • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্য প্রকাশিত গ্রন্থাকারে ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয়। যদিও ১৯০৮-১৯০৯ সালে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় এই কবিতাগুলি প্রকাশিত হয়েছিল। 

এই বইয়ে মোট ১৫৭টি গীতিকবিতা  রয়েছে।

গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থটি ইংরেজি ভাষায় 'Song Offerings' নামে প্রকাশিত হয়। ইংরেজি সংস্করনে মাত্র ৫৩টি কবিতা/গান স্থান পেয়েছিল। 

ইংরেজি গীতাঞ্জলির কবিতা/গান সমূহ নিম্নক্ত গ্রন্থ থেকে সঙ্কলিত হয়েছিলঃ 

  • গীতিমাল্য থেকে ১৬টি, 
  • নৈবেদ্য থেকে ১৫টি, 
  • খেয়া থেকে ১১টি, 
  • শিশু থেকে ৩টি, 
  • কল্পনা থেকে ১টি, 
  • চৈতালি থেকে ১টি, 
  • উৎসর্গ থেকে ১টি, 
  • স্মরণ থেকে ১টি 
  • অচলায়তন থেকে ১টি 

 অর্থাৎ ইংরেজি গীতাঞ্জলিতে তিনি মোট ৯টি গ্রন্থের কবিতা বা গানের সন্নিবেশ ঘটিয়েছেন।

তথ্য সূত্র ও বিস্তারিত

-- name

কল্লোল পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ

  • কল্লোল সাহিত্য পত্রের সময়কালকে কল্লোল যুগ বলা হয়। ১৯২৩ থেকে ১৯২৯ সাল পর্যন্ত বাংলা সাহিত্যে প্রভাবশালী আন্দোলন সংগঠিত হয়েছিল এই কল্লোল পত্রিকাকে কেন্দ্র করে। 
-- name

ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম পত্রিকার সম্পাদকের নাম 'হাসান হাফিজুর রহমান' ।

হাসান হাফিজুর রহমান 

  • জন্মঃ জুন ১৪, ১৯৩২
  • মৃত্যুঃ এপ্রিল ১, ১৯৮৩
  • হাসান হাফিজুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের দলিল সম্পাদনার জন্য বিখ্যাত।
  • ১৯৫২ সালে সাপ্তাহিক বেগম পত্রিকার মাধ্যমে তার  কর্মজীবন শুরু করেন।
-- name
  • মেঘনাদবধ কাব্য ১৮৬১ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
  • মাইকেল মধুসূদন দত্তের  অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত মহাকাব্য এবং তার শ্রেষ্ঠ সাহিত্য কর্ম।
  • মেঘনাদবধ কাব্য হিন্দু মহাকাব্য রামায়ণ অবলম্বনে রচিত, যদিও এর মধ্যে নানা বিদেশী মহাকাব্যের ছাপও সুস্পষ্ট।
-- name
  • পূর্বাশা পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন সঞ্জয় ভট্টাচার্য‌
  • ১৯৩৯ থেকে ১৯৭৭ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত পূর্বাশা পত্রিকা চালু ছিল।
  • কুমিল্লা থেকে সর্বপ্রথম এই পত্রিকার প্রকাশ শুরু হয়। যদিও পরবর্তিতে  পূর্বাশা পত্রিকার প্রকাশনা 'কলকাতায়' স্থানান্তর করা হয়।  
  • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরসহ আরো অন্যান্য বিখ্যাত কবিদের লেখা এই পত্রিকায় প্রকাশ করা হত।
-- name
পূর্বাশা পত্রিকার সম্পাদক সঞ্জয় ভট্টাচার্য ছিলেন।

কবি ও কথাসাহিত্যিক সঞ্জয় ভট্রাচার্য সম্পাদিত মাসিক পত্রিকা 'পূর্বাশা' । পত্রিকাটি ১৯৩২ সালে কুমিল্লা থেকে প্রথম প্রকাশিত হয় । অন্যদিকে কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত পত্রিকা- দৈনিক নবযুগ (যুগ্ম সম্পাদক), ধূমকেতু, লাঙ্গল । শাহাদাৎ হোসেন ও সুধীন্দ্রনাথ দত্ত সম্পাদিত পত্রিকা যথাক্রমে 'এলান' ও পরিচয়' ।
-- name

'নদী ও নারী' উপন্যাসের রচয়িতা 'হুমায়ুন কবির'। 

হুমায়ুন কবির 

  • একজন ভারতীয় বাঙালি শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ, লেখক ও দার্শনিক ।
  • জন্মঃ ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯০৬
  • মৃত্যুঃ ১৮ আগস্ট, ১৯৬৯
  • তিনি জওহরলাল নেহেরুর মন্ত্রীসভায় শিক্ষা মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
-- name

 দীনবন্ধু মিত্র রচিত নীলদর্পণ নাটকটি ১৮৬০ সালে ঢাকা থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়। 

  • দীনবন্ধু মিত্র নীলদর্পণ নাটকটি  রচনা করেছিলেন নীলকর-বিষধর-দংশন-কাতর-প্রজানিকর-ক্ষেমঙ্করেণ-কেনচিৎ-পথিক ছদ্মনামে।
  • নীলদর্পণ নাটকের ইংরেজি অনুবাদ করেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। 
  • নীলদর্পণ ইংরেজিতে অনূদিত প্রথম বাংলা নাটক। 

নীলদর্পণ নাটকের চরিত্রসমূহঃ 

  • গোলকচন্দ্র বসু, একজন সম্ভ্রান্ত লোক
  • নবীন মাধব, গোলক বসুর বড় ছেলে
  • বিন্দু মাধব, গোলক বসুর ছোট ছেলে
  • সাধু চরণ, গোলকের প্রতিবেশী রাইয়ত
  • রায় চরণ, সাধু চরণের ছোট ভাই
  • সাবিত্রী, গোলক বসুর স্ত্রী
  • সৈরিন্দ্রী, নবীন মাধবের স্ত্রী
  • সরলতা, বিন্দু মাধবের স্ত্রী
  • রেবতী, সাধু চরণের স্ত্রী
  • গোপীনাথ, নীলকরের দেওয়ান
  • তোরাপ, একজন প্রতিবাদী চরিত্র
  • আই আই উড, প্রধান নীলকর
  • পি পি রোগ, উডের ছেলে
  • জমির পরিমাপকারী
  • আমিন খালাসী, নীল সংগ্রাহক
  • ক্ষেত্রমনি, সাধুচরণ ও রেবতীর মেয়ে
  • আদুরি, গোলকের বাড়ির কাজের মেয়ে
  • পদী ময়রানী, বিনোদনকারিনী
  • রায় চরণ
-- name

কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা কাব্যের প্রথম কবিতা "প্রলয়োল্লাস"

  • অগ্নিবীণা কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ। ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। 
  • অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থে মোট কবিতার সংখ্যা বারোটি।
  • কাজী নজরুল ইসলাম অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থটি বিপ্লবী 'বারীন্দ্রকুমার ঘোষ'-কে উৎসর্গ  করেছিলেন।
  • কাব্যগ্রন্থের শুরুতে একটি উৎসর্গ কবিতা আছে।

অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের বারোটি কবিতা নিম্ন রূপঃ 

  • প্রলয়োল্লাস
  • বিদ্রোহী
  • রক্তাম্বর-ধারিণী মা
  • আগমণী
  • ধূমকেতু
  • কামাল পাশা
  • আনোয়ার
  • রণভেরী
  • শাত-ইল-আরব
  • খেয়াপারের তরণী
  • কোরবানি
  • মোহররম
-- name
  • দৌলত উজির বাহরাম খান এর জন্ম চট্টগ্রাম জেলার ফতেয়াবাদ কিংবা জাফরাবাদে।
  • দৌলত উজির বাহরাম খান এর প্রকৃত নাম ছিল আসা উদ্দীন
  • তিনি ছিলেন আনুমানিক ১৬শ শতকের বাংলা কবি। 

দৌলত উজির বাহরাম খান রচিত বিখ্যাত কয়েকটি গ্রন্থ হচ্ছেঃ 

  • লায়লী-মজনু প্রনয়োকাব্য
  • ইমাম বিজয়
  • জঙ্গনামা মার্সিয়া সাহিত্য
-- name
  • গঠনরীতিতে ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্য মূলত একটি 'নাট্যগীতি' শ্রেনীর রচনা।
  • শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বড়ুচণ্ডীদাস  রচিত রাধাকৃষ্ণের প্রণয়কথা বিষয়ক একটি আখ্যানকাব্য। 
  • ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিম বঙ্গের বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুরের নিকটবর্তী কাঁকিল্যা (কালিয়া) গ্রামের শ্রীনিবাস আচার্যের দৌহিত্র বংশীয় দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় নামক এক ব্রাহ্মণের বাড়ির গোয়ালঘরের মাচার ওপর থেকে এই কাব্যের একটি পুথি আবিষ্কার করেন।
-- name
বাগেরহাটের নামকরনের বিষয়ে একাধিক মতবাদ প্রচলিত থাকলেও সবচেয়ে গ্রহনযোগ্য মত হল-

বাগেরহাট শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত ভৈরব নদীর উত্তর দিকের হাড়িখালী থেকে বর্তমান নাগের বাজার পর্যন্ত ভৈরব নদীর যে লম্বা বাঁক রয়েছে পূর্বে সে বাঁকে বর্তমান পুরাতন বাজার এলাকায় একটি হাট বসত। আর এ হাটের নাম অনুসারে স্থানটির নাম হয় বাঁকেরহাট। কালক্রমে বাঁকেরহাট পরিবর্তিত হয়ে বর্তমান বাগেরহাট নামের উতপত্তি।
-- name

বরিশালের পূর্ব নাম ছিল চন্দ্রদ্বীপ। রাজা দনুজমর্দন স্বাধীন চন্দ্রদ্বীপের স্থাপতি ছিলেন। 

  • চন্দ্রদ্বীপ রাজ্য প্রতিষ্ঠারও পূর্বে বর্তমান বরিশালের নাম ছিল 'বাকলা'। 
  • আরবী শব্দ ‘বাকলা' অর্থ শস্য ব্যবসায়ী । 
  • প্রাচীন বৈদেশিক মানচিত্রে বাকলা-চন্দ্রদ্বীপ নাম উল্লেখ পাওয়া যায়।
  • ১৭৯৬ সাল পর্যন্ত  বরিশাল  জেলা বাকলা-চন্দ্রদ্বীপ নামেই  পরিচিত ছিল।
-- name
বরিশালে একসময়  বড় বড় লবণের  চৌকি ছিল। সল্ট বা লবনের প্রাচুর্যের কারনে  ইংরেজ ও পর্তুগীজ বণিকরা এ অঞ্চলকে ‘বরিসল্ট' বলত। এই বরিসল্ট পরিবর্তিত হয়ে বরিশাল হয়েছে বলে অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন। এছাড়া এই অঞ্চলে এক সময় বড় বড় শাল গাছ ছিল। অনেকের মতামত হল - বড় শাল থেকে কালক্রমে বরিশাল নামের উদ্ভব হয়েছে।
-- name
ঢাকার নাম করনের ইতিহাস নিয়ে মতপার্থক্য থাকলেও সবচেয়ে গ্রহনযোগ্য মতবাদ হচ্ছে-

সেন বংশের রাজা বল্লাল সেন একদিন বুড়িগঙ্গার তীরে  ভ্রমণ করছিলেন।  তখন নিকটবর্তী জঙ্গলে হিন্দু দেবী দুর্গার একটি বিগ্রহ (মূর্তী) খুঁজে পান। পরবর্তীতে রাজা বিগ্রহের জন্য ঐ এলাকায় একটি দূর্গা মন্দির স্থাপন করেন। যেহেতু দেবীর বিগ্রহ ঢাকা বা গুপ্ত অবস্থায় খুঁজে পাওয়া গিয়েছিলো, তাই বল্লাল সেন মন্দিরের নাম দেন 'ঢাকেশ্বরী মন্দির'। মন্দিরের নাম অনুসারে কালক্রমে স্থানটির নাম  ঢাকেশ্বরী থেকে ঢাকা হিসেবে পরিচিতি পায়।
-- name

উইকিপিডিয়ার তথ্য মতে বর্তমানে, বাংলাদেশে ১৬৭টি বাণিজ্যিক চা এস্টেট রয়েছে। 

অন্যদিকে ২৬ জানুয়ারী ২০১৯ তারিখে প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করনের তথ্য মতে -

বর্তমানে চা বোর্ডের নিবন্ধিত ১৬৬টি চা–বাগান রয়েছে। এর মধ্যে 

  • মৌলভীবাজারে ৯১টি
  • হবিগঞ্জে ২৫টি
  • সিলেটে ১৯টি
  • চট্টগ্রামে ২২ টি
  • পঞ্চগড়ে ৭টি
  • রাঙামাটিতে ২টি ও 
  • ঠাকুরগাঁওয়ে ১টি 
তথ্য সূত্র ও বিস্তারিত [] []
-- name
বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুল বানিজ্য কেন্দ্র নেদারল্যান্ডস এর আলসমিরে।
-- name
বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুল বানিজ্য কেন্দ্র নেদারল্যান্ডস এর আলসমিরে।দেশটিকে অনেক সময় হল্যান্ড হলান্ট্‌ নামেও ডাকা হয়, যদিও হল্যান্ড মূলত নেদারল্যান্ডসের একটি ঐতিহাসিক অঙ্গরাজ্যের নাম। ক্যারিবীয় নেদারল্যান্ডসের তিনটি দ্বীপকে নিয়ে এটি নেদারল্যান্ডস রাজ্য কোনিংক্রেইক্‌ ডের্‌ নেড্যর্লান্ডেন্‌ গঠন করেছে।
-- name
দক্ষিন এশিয়ার দেশ গুলোর মধ্যে প্রথম করোনা রোগী সনাক্ত হয় নেপালে। ২০২০ সালের ২৩ জানুয়ারী উহান ফেরত এক শিক্ষার্থীর শরীরে সে দেশের প্রথম করোনার সংক্রমন ধরা পড়ে। যদিও ঐ ব্যক্তি শ্বাস-তন্ত্রের জটিলতা নিয়ে ঐ বছরের ১৩ জানুয়ারী থেকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
-- name

ভাষাকন্যা ও প্রথম নারী জাতীয় অধ্যাপক সুফিয়া আহমেদ   ৯ এপ্রিল, ২০২০ তারিখে মারা যান। 

সুফিয়া আহমেদ 

  • জন্মঃ ২০ নভেম্বর, ১৯৩২
  • মৃত্যুঃ  ৯ এপ্রিল, ২০২০
  • ভাষা আন্দোলনে অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে একুশে পদকে ভূষিত করে।
  • তিনি ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম নারী জাতীয় অধ্যাপক ।
-- name

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া প্রথম চিকিৎসকের নাম  'মইনউদ্দিন'.

  • তিনি সিলেট এমএজি ওসমানি মেডিকেল কলেজে দায়িত্বরত ছিলেন। 
  • ৬ই এপ্রিল ডাক্তার তার শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত  হয়।
  • ৯ই এপ্রিল তিনি কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন।
  • ১৫ই এপ্রিল, ২০২০ সকালে তিনি মারা যান ।
-- name

বিশ্বের বৃহত্তম সমুদ্র সেতুর নাম 'হংকং-জুহাই সেতু '।

  • এই সেতু চীনের মুল ভূখণ্ডের ঝুহাই শহরের সাথে সংযুক্ত করেছে হংকং ও ম্যাকাওকে।
  • ২৪ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে এই সমুদ্র সেতুর উদ্ভোদন করা হয়।
  • এটির নির্মান কাজ শুরু হয় ১৫ সেপ্টেম্বর ২০০৯ সালে।
  • হংকং-জুহাই সেতুর দৈর্ঘ্য প্রায় ৫৫ কিলোমিটার বা ৩৪ মাইল। 
  • সেতুটি নির্মানে ব্যয় হয়েছে বিশ বিলিয়ন ডলার বা দু হাজার কোটি ডলার।
  • এর নির্মান কাজে প্রায় ৪০০, ০০০ টন ইস্পাত ব্যবহার করা হয়েছে, যা দিয়ে ৬০টি আইফেল টাওয়ার নির্মাণ করা সম্ভব।
  • এই সেতু নির্মানে দুটি কৃত্রিম দ্বীপের তৈরি করা হয়েছে।
  • নির্মাণ কাজ চলার সময় নিহত হয়েছে ১৮জন শ্রমিক।
-- name
সমাসঃ বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অর্থসম্বন্ধযুক্ত একাধিক পদের একটি পদে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে।সমাসের রীতি সংস্কৃত থেকে বাংলায় এসেছে।

সমাসের উদ্দেশ্য অল্পকথায় অধিক ভাব প্রকাশ করা ।

যেমন: দোয়াত ও কলম = দোয়াতকলম, পীত অম্বর যার = পীতাম্বর।

সমাস শব্দের ব্যুৎপত্তি হলো সম+অস(ধাতু)+অ ।

সমাসনিষ্পন্ন পদটিকে বলে সমস্ত পদ।
-- name

বাংলা আধুনিক উপন্যাসের প্রবর্তক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

  • জন্মঃ ২৬ জুন ১৮৩৮ 
  • মৃত্যুঃ  ৮ এপ্রিল ১৮৯৪
  • তাকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম আধুনিক ঔপন্যাসিক বলা হয়।
  • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর ছদ্মনাম কমলাকান্ত ।
  • তাকে বাংলা উপন‍্যাসের জনক বলা হয়।  
  • তিনি সাহিত্য সম্রাট হিসেবেও পরিচিত।
-- name

শরতের শিশির বাগধারাটির অর্থ 'সুসময়ের বন্ধু'।

শরতকালে প্রকৃতি যখন সম্পূর্ন নতুন রূপে সাজতে শুরু করে ঠিক তখনি শিশিরের আগমন ঘটে তদ্রূপ আমাদের কিছু বন্ধু থাকে যাদের খারাপ সময়ে খুজেও পাওয়া যায় না। তাই প্রতিকী হিসাবে সুবিধাবাদি বা সুসময়ের বন্ধু বোঝাতে শরতের শিশির শব্দটি ব্যবহার করা হয়।

অনুরূপ আরও কয়েকটি বাগধারা হচ্ছে "দুধের মাছি", "বসন্তের ককিল" ইত্যাদি। 

-- name
অভিরাম শব্দটি একটি বিশেষণ পদ যার অর্থ 'সুন্দর' বা 'আনন্দদায়ক'।
-- name
অভিরাম শব্দের একটি বিশেষণ পদ যার অর্থ সুন্দর বা আনন্দদায়ক।

সুন্দরঃ

শ্রেষ্ঠ, উৎকৃষ্ট, সর্বোত্তম, উত্তম, সুন্দর, চমৎকার, ঠাম, চারু, রমণীয়, মনোহর, শোভন, সসুন্দর, অত্যন্ত সুন্দর, মঁজু, সুকুমার, রম্য, শোভাময়, সুশোভন, রুপবান্, সুতনু, সুরূপ, সুদৃশ্য, ললিত, সুশ্রী, সুঠাম, কম্র, সৌম্য, সৌষ্ঠবপূর্ণ, অভিরাম, অনিন্দিত, উষসী, চিকণ, চিকন।
-- name
গির্জা (তুর্কি, ইংরেজি, পর্তুগিজ এবং জাপানি) ভাষার অন্তর্গত শব্দ।
-- name
বাংলার প্রাচীন শহর মহাস্থানগড় এর অবস্থান বগুড়া জেলায়।
-- name
  • ড. আবদুল্লাহ আল মুতী

ড. আবদুল্লাহ আল মুতী রচিত আরও কিছু গ্রন্থঃ 

  • সাগরের রহস্যপুরী
  • এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে
  • রহস্যের শেষ নেই
  • আবিষ্কারের নেশায়
-- name
"On the question I must part company with you" বাক্যটির বঙ্গানুবাদটি হলো "ঐ কারণে আমি অবশ্যই তোমার সঙ্গ ত্যাগ করব"।
-- name
  • ‘ঐতিহাসিক অভিধান’ বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত হয়
-- name
ঐতিহাসিক অভিধান বাংলাদেশের বাংলা একাডেমি  প্রতিষ্ঠান থেকে প্রকাশিত হয়।
-- name
  • ‘রূপালী বাতাস সোনলী আকাশ’ গ্রন্থটির রচয়িতা এম.আর.আখতার মুকুল
-- name
  • ‘তুমি সুন্দর, তাই চেয়ে থাকি’ -গানটির রচয়িতা - কাজী নজরুল ইসলাম।
তুমি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি প্রিয়, সে কি মোর অপরাধ?
চাঁদেরে হেরিয়া কাঁদে চকোরিণী বলে না তো কিছু চাঁদ।।
চেয়ে’ চেয়ে’ দেখি ফোটে যবে ফুল
ফুল বলে না তো সে আমার ভুল
মেঘ হেরি’ ঝুরে’ চাতকিনী, মেঘ করে না তো প্রতিবাদ।।
জানে সূর্যেরে পাবে না তবু অবুঝ সূর্যমুখী
চেয়ে’ চেয়ে’ দেখে তার দেবতারে দেখিয়াই সে যে সুখী।
হেরিতে তোমার রূপ–মনোহর
পেয়েছি এ আঁখি, ওগো সুন্দর।
মিটিতে দাও হে প্রিয়তম মোর নয়নের সেই সাধ।।
-- name
  • ‘সিঁথির সিঁদুর’ উপন্যাসটির রচয়িতা শান্তা দেবী
-- name
  • ২১ এপ্রিল ২০১৭

  • লাকী আখান্দ  বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত সুরকার, সঙ্গীত পরিচালক ও গায়ক।  ১৯৮৪ সালে সরগমের ব্যানারে লাকি আখন্দের প্রথম একক অ্যালবাম লাকী আখান্দ প্রকাশিত হয়।  তিনি ব্যান্ড দল হ্যাপী টাচএর সদস্য। তার সংগীতায়জনে করা বিখ্যাত গানের মধ্যে রয়েছে এই নীল মনিহার, আবার এলো যে সন্ধ্যা এবং আমায় ডেকো না।[৬] তিনি বাংলাদেশী জাতীয় রেডিও নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ বেতার এর সংগীত পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন।

-- name
  • শিশুতোষ গ্রন্থ

বন্দে আলী মিয়া রচিত আরও কিছু শিশুতোষ রচনাঃ 

  • চোর জামাই (১৯২৭)
  • মেঘকুমারী (১৯৩২)
  • মৃগপরী (১৯৩৭)
  • বোকা জামাই (১৯৩৭)
  • কামাল আতার্তুক (১৯৪০)
  • ডাইনী বউ (১৯৫৯)
  • রূপকথা (১৯৬০)
  • কুঁচবরণ কন্যা (১৯৬০)
  • ছোটদের নজরুল (১৯৬০)
  • শিয়াল পন্ডিতের পাঠশালা (১৯৬৩)
  • বাঘের ঘরে ঘোগের বাসা
  • সাত রাজ্যের গল্প (১৯৭৭)।
  • হাদিসের গল্প
-- name
  • ভাষার ইতিবৃত্ত (বাংলা ভাষাতত্ত্বের একটি পূর্ণাঙ্গ আলোচনা)
  • Women's Dialect in Bengali (বাংলা মেয়েলি ভাষা নিয়ে গবেষণামূলক রচনা)
  • বাংলা স্থাননাম (বাংলা স্থাননাম নিয়ে ভাষাতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক বিশ্লেষণ)
  • রামকথার প্রাক-ইতিহাস (রামায়ণ-সংক্রান্ত তুলনামূলক পুরাণতাত্ত্বিক আলোচনা)
  • ভারত-কথার গ্রন্থিমোচন (মহাভারত-সংক্রান্ত তুলনামূলক পুরাণতাত্ত্বিক আলোচনা)
  • A History of Brajabuli Literature (ব্রজবুলি সাহিত্যের ইতিহাস)
  • বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস (৫টি খণ্ডে, সুকুমার সেনের সবচেয়ে বিখ্যাত বই, বাংলা সাহিত্যের একটি পূর্ণাঙ্গ ও সামগ্রিক ইতিহাস) [২]
  • বঙ্গভূমিকা (বাংলার আদি-ইতিহাস সংক্রান্ত গ্রন্থ)
  • ইসলামি বাংলা সাহিত্য
  • কলিকাতার কাহিনী
  • ক্রাইম কাহিনীর কালক্রান্তি
  • বাঙ্গালা সাহিত্যের কথা 
  • বাঙ্গালা সাহিত্যে গদ্য 
  • দিনের পরে দিন যে গেল ( আত্মজীবনীমূলক রচনা )
  • তথ্য সূত্র
-- name
  • মোহিতলাল মজুমদার

মোহিতলাল মজুমদার রচিত কাব্য গ্রন্থঃ 

  • দেবেন্দ্র-মঙ্গল (১৯২২)
  • স্বপন-পসারী (১৯২২)
  • বিস্মরণী (১৯২৭)
  • স্মরগরল (১৯৩৬)
  • হেমন্ত-গোধূলি (১৯৪১)
  • ছন্দ চতুর্দশী (১৯৪১) (সনেট সঙ্কলন)
  • কাব্য মঞ্জুষা

মোহিতলাল মজুমদার রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ সমূহঃ 

  • আধুনিক বাংলা সাহিত্য (১৯৩৬)
  • সাহিত্যকথা (১৯৩৮)
  • বিবিধ কথা (১৯৪১)
  • বিচিত্র কথা (১৯৪১)
  • সাহিত্য বিতান (১৯৪২)
  • বাঙলা কবিতার ছন্দ (১৯৪৫)
  • বাঙলার নবযুগ (১৯৪৫)
  • জয়তু নেতাজী (১৯৪৬)
  • কবি শ্রীমধুসূদন (১৯৪৭)
  • সাহিত্য বিচার (১৯৪৭)
  • বঙ্কিমবরণ (১৯৪৯)
  • রবি-প্রদক্ষিণ (১৯৪৯)
  • শ্রীকান্তের শরৎচন্দ্র (১৯৫০)
  • জীবন জিজ্ঞাসা (১৯৫১)
  • বাঙলা ও বাঙালী (১৯৫১)
  • কবি রবীন্দ্র ও রবীন্দ্র কাব্য (প্রথম খণ্ড ১৯৫২, দ্বিতীয় খণ্ড ১৯৫৩)
  • বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাস (১৯৫৫)
  • বিবিধ প্রবন্ধ
  • বঙ্কিম বরণ (১৯৪৯)
-- name
  • আলো ও ছায়া

কামিনি রায়ের লেখা উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে -

  • আলো ও ছায়া (১৮৮৯)
  • নির্মাল্য (১৮৯১)
  • পৌরাণিকী (১৮৯৭)
  • মাল্য ও নির্মাল্য (১৯১৩)
  • অশোক সঙ্গীত (সনেট সংগ্রহ, ১৯১৪)
  • অম্বা (নাট্যকাব্য, ১৯১৫)
  • দীপ ও ধূপ (১৯২৯)
  • জীবন পথে (১৯৩০)
  • একলব্য
  • দ্রোণ-ধৃষ্টদ্যুম্ন
  • শ্রাদ্ধিকী
-- name
  • ‘অবাঞ্ছিত’  গ্রন্থটির রচয়িতা আকবর হোসেন
-- name
  • মান্না দে

  • ‘কফি হাউজের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই’ ১৯৮৩ সালে প্রকাশিত বাংলা সঙ্গীত। স্মৃতিচারণী এই সঙ্গীত বা গানটি ১৯৮৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত। 
  • গৌরী প্রসন্ন মজুমদার লোখা ও সুপর্ণকান্ত ঘোষে এর সুরে এই গানে কন্ঠ দেন মান্না দে

-- name
  • শাহ আব্দুল করিম

শাহ আবদুল করিম এর জনপ্রিয় কিছু গানঃ 

  • বন্দে মায়া লাগাইছে, পিরিতি শিখাইছে
  • সখী কুঞ্জ সাজাও গো
  • আসি বলে গেল বন্ধু আইলনা
  • আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম
  • গাড়ি চলে না
  • রঙ এর দুনিয়া তরে চায় না
  • তোমারও পিরিতে বন্ধু
  • আমি বাংলা মায়ের ছেলে
  • কেন পিরিতি বাড়াইলারে বন্ধু
  • মন মিলে মানুষ মিলে, সময় মিলেনা
  • আমার মাটির পিনজিরাই সোনার ময়নারে
-- name
  • অক্ষয়কুমার দত্ত

অক্ষয়কুমার দত্তের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ

  • প্রাচীন হিন্দুদিগের সমুদ্র যাত্রা ও বাণিজ্য বিস্তার
  • ভূগোল (১৮৪১)
  • বাহ্যবস্তুর সহিত মানব প্রকৃতির সম্বন্ধ বিচার (১ম ভাগ ১৮৫২; দ্বিতীয় ভাগ ১৮৫৩)
  • চারুপাঠ (১ম ভাগ ১৮৫২, ২য় ভাগ- ১৮৫৪, ৩য় খণ্ড- ১৮৫৯)
  • ধর্মনীতি (১৮৫৫)
  • পদার্থবিদ্যা (১৮৫৬)
  • ভারতবর্ষীয় উপাসক সম্প্রদায় (১ম ভাগ- ১৮৭০, ২য় ভাগ- ১৮৮৩)
-- name
  • পৃথিবী থেকে পাঠানো বৃহস্পতির একটি কৃত্রিম উপগ্রহ
-- name
  • প্রথম ১০টি চরণ
  • আমার সোনার বাংলা গানটি রচিত হয়েছিল ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে। গানটির পাণ্ডুলিপি পাওয়া যায়নি, তাই এর সঠিক রচনাকাল জানা যায় না। সত্যেন রায়ের রচনা থেকে জানা যায়, ১৯০৫ সালের ৭ আগস্ট কলকাতার টাউন হলে আয়োজিত একটি প্রতিবাদ সভায় এই গানটি প্রথম গীত হয়েছিল। 
  • আমার সোনার বাংলা গানটি রচিত হয়েছিল শিলাইদহের ডাকপিয়ন গগন হরকরা রচিত আমি কোথায় পাব তারে আমার মনের মানুষ যে রে গানটির সুরের অণুষঙ্গে। সরলা দেবী চৌধুরানী ইতিপূর্বে ১৩০৭ বঙ্গাব্দের বৈশাখ মাসে তার শতগান সংকলনে গগন হরকরা রচিত গানটির স্বরলিপি প্রকাশ করেছিলেন। উল্লেখ্য, রবীন্দ্রনাথের বঙ্গভঙ্গ-সমসাময়িক অনেক স্বদেশী গানের সুরই এই স্বরলিপি গ্রন্থ থেকে গৃহীত হয়েছিল।
-- name
  • গিরিশ চন্দ্র সেন
  • "ভাই গিরিশচন্দ্র সেন" নামেই তিনি বেশী পরিচিতি পেয়েছেন এবং 'মৌলভী' উপাধিও পেয়েছেন। বাংলা ভাষাভাষী জনসাধারনের নিকট প্রথম বাংলা ভাষায় পুর্নাঙ্গ কুরআন অনুবাদ ও প্রকাশের কৃতিত্ব তাকে দেয়া হয়। তিনি আরবি, ফার্সি, উর্দু এবং ইসলামী বিষয়াবলী সমন্ধেও পান্ডীত্য অর্জন করেছিলেন।
  • তথ্য সূত্র 
-- name
হৃদয়আবেগ প্রকাশ  করতে আবেগ প্রকাশ কারী চিহ্ণ(!) ব্যবহার করা হয়
-- name

বিষ্ণু দে’র প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'উর্বশী ও আর্টেমিস'। 

  • বিষ্ণু দে ছিলেন একজন বিখ্যাত বাঙালি কবি লেখক এবং চলচ্চিত্র সমালোচক। 
  • জন্মঃ ১৮ জুলাই ১৯০৯
  • মৃত্যুঃ ৩ ডিসেম্বর ১৯৮২

বিষ্ণু দে রচিত কয়েকটি গ্রন্থ নিম্নে উল্লেখ করা হলঃ 

  • সন্দীপের চর (১৯৪৭)
  • অন্বীষ্টা (১৯৫০)
  • পূর্বলেখ (১৯৪০)
  • রুচি ও প্রগতি (১৯৪৬)
  • সাহিত্যের ভবিষ্যৎ (১৯৫২)
  • উত্তরে থাকে মৌন (১৯৭৭)
  • নাম রেখেছি কোমল গান্ধার (১৯৫০)
  • তুমি শুধু পঁচিশে বৈশাখ (১৯৫৮)
  • রবীন্দ্রনাথ ও শিল্প সাহিত্য আধুনিকতার সমস্যা (১৯৬৬)
  • মাইকেল রবীন্দ্রনাথ ও অন্যান্য জিজ্ঞাসা (১৯৬৭)
  • ইন দ্য সান অ্যান্ড দ্য রেন (১৯৭২)
  • ছড়ানো এই জীবন (আত্মজীবনী)
  • উর্বশী ও আর্টেমিস (১৯৩২)
  • চোরাবালি (১৯৩৮)
  • সেকাল থেকে একাল (১৯৮০)
  • আমার হৃদয়ে বাঁচো (১৯৮১)
  • স্মৃতি সত্ত্বা ভবিষ্যৎ (জ্ঞানপীঠ পুরস্কার ১৯৭১)

-- name
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর  যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে "ন্যাটো" ও সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে "ওয়ারশ" জোট গঠিত হয়। এ দুটিই হলো বিশ্বের প্রথম ও প্রধান দুটি সামরিক জোট। এই দুই জোটের যারা অংশীদার তারাই হলো প্রথম বিশ্ব আর দ্বিতীয় বিশ্ব। আর যারা এই দুই জোটে নেই তারা "তৃতীয় বিশ্ব"। সেই হিসাবে প্রথম বিশ্বের বাসিন্দা হলো  যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, পশ্চিম জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন তথা পশ্চিম ইউরোপের দেশ গুলো। আর সোভিয়েতের পক্ষে থাকা চীন, কিউবা ও তাদের সহযোগীরা হলো দ্বিতীয় বিশ্ব। আর জোট  নিরপক্ষ যারা যেমনঃ ভারত,বাংলাদেশ ও ব্রাজিল এরাই আজকের দুনিয়ার তৃতীয় বিশ্বের বাসিন্দা।
-- name
  • ‘দৃষ্টিপাত’-এর লেখক ‘যাযাবর’-এর প্রকৃত নাম বিনয় মুখোপাধ্যায়
  • যাযাবর ছদ্মনামের আড়ালে থাকা মানুষটি বিনয় মুখোপাধ্যায় (Binoy Mukhopadyay, ? - ১৯৮৩)। তাঁর লিখিত বইগুলো হচ্ছে 'দৃষ্টিপাত', 'জনান্তিক', 'ঝিলম নদীর তীরে', 'লঘুকরণ', 'হ্রস্ব ও দীর্ঘ', 'যখন বৃষ্টি নামল'। এছাড়া স্বনামে লেখা দুটি বই হচ্ছে 'খেলার রাজা ক্রিকেট' ও 'মজার খেলা ক্রিকেট'।
  • তথ্য সূত্র ও বিস্তারিত 
-- name

আধুনিক কবিদের মধ্যে সবচেয়ে দুরূহ কবি সুধীন্দ্রনাথ দত্ত।

  • সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  • জন্মঃ ৩০ অক্টোবর ১৯০১
  • মৃতুঃ ২৫ জুন ১৯৬০
  • সুধীন্দ্রনাথ দত্ত বাংলা ভাষার একজন প্রধান আধুনিক কবি।
  • সুধীন্দ্রনাথ দত্তকে বাংলা কবিতায় “ধ্রুপদী রীতির প্রবর্তক” বলা হয়।
-- name

আধুনিক বাংলা গীতিকবিতার প্রথম কবি বিহারীলাল চক্রবর্তী। 

  • জন্মঃ ২১ মে, ১৮৩৫
  • মৃত্যুঃ ২৪ মে, ১৮৯৪
  • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাকে বাঙলা গীতি কাব্য-ধারার 'ভোরের পাখি' বলে আখ্যায়িত করেছিলেন। 

বিহারীলাল চক্রবর্তী রচিত কয়েকটি গ্রন্থঃ 

  • স্বপ্নদর্শন
  • সঙ্গীত শতক (১৮৬২)
  • বঙ্গসুন্দরী (১৮৭০)
  • নিসর্গসন্দর্শন (১৮৭০)
  • বন্ধুবিয়োগ (১৮৭০)
  • প্রেম প্রবাহিনী (১৮৭০)
  • সারদামঙ্গল (১৮৭৯)
  • মায়াদেবী
  • ধুমকেতু
  • দেবরাণী
  • বাউলবিংশতি
  • সাধের আসন 
-- name
  • কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে ‘খাঁটি বাঙালি কবি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  • তৎকালীন কবিওয়ালা দের জিম্মা থেকে বাংলা কবিতাকে তিনি নাগরিক বৈদগ্ধ ও মার্জিত রুচির আলোয় নিয়ে আসেন। সাংবাদিক রূপেও ঊনবিংশ শতকের এই আধুনিক মানুষটি যথাযোগ্য কৃতিত্বের সাক্ষর রেখেছেন।সাহিত্য অঙ্গনে তার আবির্ভাব মধ্যযুগের শেষ ও আধুনিক যুগের শুরুর পর্যায়ে । বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাকে "খাঁটি বাঙালি কবি" বলে অবহিত করেছেন । তার উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মঃ রামপ্রসাদ সেন কৃত কালীকীর্তন(১৮৩৩), কবিবর ভারতচন্দ্র রায় ও তার জীবনবৃত্তান্ত(১৮৫৫), বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত কাব্যসংগ্রহ(১৮৯২) । 
  • তথ্য সূত্র ও বিস্তারিত 
-- name

রোহিনী-বিনোদিনী-কিরণময়ী চরিত্র গুলো ভিন্ন ভিন্ন তিনটি  গ্রন্থের চরিত্র। 

  • রোহিনী চরিত্রটি রয়েছে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসে। 
  • বিনোদিনী চরিত্রের সন্ধান মেলে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চোখের বালি উপন্যাসে।
  • আর কিরণময়ী হল শরৎচন্দ্রের চরিত্রহীন উপন্যাসে। এই উপন্যাসের আরও কয়েকটি চরিত্র হচ্ছে সাবিত্রী, সুরবালা এবং সরোজিনী।
-- name

কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে যুগসন্ধিক্ষণের কবি বলা হয়। 

ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত 

  • জন্মঃ ৬ মার্চ ১৮১২ - ২৩ 
  • মৃত্যুঃ জানুয়ারি ১৮৫৯
  • তিনি সংবাদ প্রভাকর  এর সম্পাদক ছিলেন। 
  • তিনি ছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক এবং সাংবাদিক 
-- name
  • ‘টোনাটুনির বই’ গল্পগ্রন্থের রচয়িতা উপেন্দ্রকিশোর রায়
-- name
  • মুক্তভূমি
  • থাইল্যান্ড বা তাইল্যান্ড দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি রাষ্ট্র। এর সরকারি নাম তাইরাজ্য । এর বৃহত্তম শহর ও রাজধানীর নাম ব্যাংকক। থাইল্যান্ড একমাত্র দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় রাষ্ট্র যা যুদ্ধকালীন সময় ব্যতীত কখনও কোন ইউরোপীয় বা বিদেশী শক্তির নিয়ন্ত্রণে ছিল না।
-- name

‘বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান’ ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সম্পাদনায় ১৯৬৫ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।

এটি বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের উপভাষার একটি সংকলন গ্রন্থ। 

-- name
কোনো মূলভাব অথবা মূল বক্তব্যকে বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করে সহজ সরল ভাষায় উপস্থাপন করাকে ভাব সম্প্রসারণ বলে।

ভাবসম্প্রসারনের তিনটি লক্ষনীয় অংশ হচ্ছেঃ

১. মূল ভাব
২. সম্প্রসারিত ভাব
৩. মন্তব্য।
-- name

গম্ভীরা বাংলার লোকসঙ্গীতের অন্যতম একটি ধারা। বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ও পশ্চিমবঙ্গের মালদহ অঞ্চলে গম্ভীরার প্রচলন রয়েছে। গম্ভীরা দলবদ্ধভাবে গাওয়া হয়। এটি বর্ণনামূলক গান। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা অঞ্চলের গম্ভীরার মুখ্য চরিত্রে নানা-নাতি খুব জনপ্রিয়।

তথ্য সূত্র ও বিস্তারিত

-- Anonymous
  • ‘মণিমঞ্জুষা’ কাব্যগ্রন্থটি  সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত রচিত।
  • সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত (জন্ম: ফেব্রুয়ারি ১১, ১৮৮২ - মৃত্যু: জুন ২৫, ১৯২২) একজন বাঙালি কবি ও ছড়াকার। তার কবিতায় ছন্দের কারুকাজ, শব্দ ও ভাষা যথোপযুক্ত ব্যবহারের কৃতিত্বের জন্য তাকে ছন্দের যাদুকর নামে আখ্যায়িত করা হয়।

সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত রচিত কাব্যগ্রন্থ সমূহঃ 

  • সবিতা (১৯০০)
  • সন্ধিক্ষণ (১৯০৫)
  • বেণু ও বীণা (১৯০৯)
  • হোমশিখা (১৯০৭)
  • ফুলের ফসল (১৯১১)
  • কুহু ও কেকা (১৯১২)
  • তুলির লিখন (১৯১৪)
  • মনিমঞ্জুষা (১৯১৫)
  • অভ্র-আবীর (১৯১৬)
  • হসন্তিকা (১৯১৯)
  • বেলা শেষের গান (১৯২৩)
  • বিদায় আরতি (১৯২৪)
-- name

ডায়নোসোর আকৃত্তজোয়িক মহাযুগের অধিবাসী ছিল। 

প্রথম ডাইনোসরের বিবর্তন হয়েছিল আনুমানিক ২৩ কোটি বছর পূর্বে।  বৈজ্ঞানিকদের ধারনা ডাইনোসরেরা প্রায় ১৬ কোটি বছর ধরে পৃথিবীতে রাজত্ব করেছিল।   ক্রিটেশিয়াস যুগের শেষে এখন থেকে প্রায় সাড়ে ৬ কোটি বছর পূর্বে এক বিধ্বংসী প্রাকৃতিক বিপর্যয় ডাইনোসরদের পৃথিবী থেকে সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করে দেয়। 

ডাইনোসর সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে উইকিপিডিয়ার এই নিবন্ধটি দেখুন

-- name

‘সালাম সালাম হাজার সালাম’-গানটির গীতিকার 'ফজল-এ-খোদা'। 

  • বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এই গানটি  স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রথম প্রচার করা হয়। 
  • গানটির সুরকার ও শিল্পি আবদুল জব্বার। 
  • এই গানটি বিবিসি বাংলার সেরা ২০ বাংলা গানের মধ্যে অন্যতম।
  • এত বছর পর ‘সালাম সালাম হাজার সালাম’ গানটির গীতিকার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে।
  • বিতর্কিত এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে পারবেন প্রথম আলোর এই প্রতিবেদনে
-- name

বাংলা নববর্ষ প্রথম চালু করেছিলেন মুঘল সম্রাট আকবর।

  • খাজনা আদায়ে সুষ্ঠুতা প্রণয়নের লক্ষ্যে মুঘল সম্রাট আকবর বাংলা সনের প্রবর্তন করেন। 
  • ১৫৮৪ খ্রিষ্টাব্দের ১০ই মার্চ বা ১১ই মার্চ থেকে বাংলা সন গণনা শুরু হয়। 
  • প্রথম দিকে এই সনের নাম ছিল ফসলি সন, পরে "বঙ্গাব্দ" বা বাংলা বর্ষ নামে পরিচিত হয়।
-- name
‘পরাগলী মহাভারত’ খ্যাত গ্রন্থের অনুবাদক 'কবীন্দ্র পরমেশ্বর'।
-- name
  • কামিনী রায়ের জন্মস্থান বাকেরগঞ্জ
  • কামিনী রায়ের জন্ম পূর্ববঙ্গের (বর্তমান বাংলাদেশের) বাকেরগঞ্জের বাসণ্ডা গ্রামে (বর্তমানে যা বরিশাল জেলার অংশ)। তার পিতা চণ্ডীচরণ সেন একজন ব্রাহ্মধর্মাবলম্বী, বিচারক ও ঐতিহাসিক লে&#