সারাংশ: মহাসমুদ্রের শত বৎসরের কল্লোল

বাংলা ২য় পত্র – সারাংশ

মহাসমুদ্রের শত বৎসরের কল্লোল


মহাসমুদ্রের শত বৎসরের কল্লোল, কেহ যদি এমন করিয়া বাঁধিয়া রাখিতে পারিত যে, সে ঘুমন্ত শিশুটির মতো চুপ করিয়া থাকিত, তবে সে নীরব মহাশব্দের সহিত এই পুস্তকাগারের তুলনা হইত। এখানে ভাষা চুপ করিয়া আছে, প্রবাহ স্থির হইয়া আছে, মানবাত্মার অমর অগ্নি কালো অক্ষরের শৃঙ্খলে কালো চামড়ার কারাগারে বেড়া দগ্ধ করিয়া একবার বাহির হইয়া আসে। কালের শঙ্খরন্ধ্রে এই নীরব সহস্র বৎসর যদি এককালে ফুৎকার দিয়া উঠে তবে সে বন্ধনমুক্ত উচ্ছ্বসিত শব্দের স্রোতে দেশ-বিদেশে ভাসিয়া যাইত। হিমালয়ের মাথার ওপরে কঠিন তুষারের মধ্যে যেমন শত শত বন্যা বাঁধা পড়িয়া আছে, তেমনি এই পুস্তকাগারের মধ্যে মানবহৃদয়ের বন্যাকে বাঁধিয়া রাখা হইয়াছে।

সারাংশ:

গ্রন্থাগার হলো জ্ঞানের এক নীরব মহাসমুদ্র। হাজার বছরের জ্ঞান ও মানবহৃদয়ের আবেগ, উচ্ছ্বাস বিভিন্ন গ্রন্থে লিপিবদ্ধ হয়ে গ্রন্থাগারে রক্ষিত হয়।

আরও কয়েকটি গুরুত্বপুর্ণ সারাংশঃ

আপনার মতামত জানানঃ